নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাগেরহাটের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে এ অঞ্চলে বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন জনপ্রিয় নেত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মানীর নাম বেশ জোরেশোরেই শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আয়েশা সিদ্দিকা মানীকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান বাগেরহাটবাসী। রামপালের কৃতি সন্তান আয়েশা সিদ্দিকা মানী ছাত্রদলের নেত্রী ছিলেন। জিয়া খালেদা তারেক রহমান সহ বিএনপি পরিবারের প্রতি অগাধ ভালোবাসা রয়েছে তার। স্বৈরাচারী এরশাদ এবং হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করায় জেলার সবখানেই আলোচনায় রয়েছেন তিনি।
শিশুকাল থেকে রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা আয়েশা সিদ্দিকা মানীর পিসি কলেজ ছাত্রদল থেকে রাজনীতির হাতে খড়ি। তিনি ঢাকা মহানগর মহিলা দলের সাথে যুক্ত হয়ে ওয়ান ইলেভেনের সময়ে গুলশান বনানী মহিলা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিন মাস বিএনপি অফিসে অবরুদ্ধ থাকাকালীন সময়ে আয়েশা সিদ্দিকা মানি ওই অফিসে ১৮ দিন অবরুদ্ধ ছিলেন। তিনি স্বৈরাচারী সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তাছাড়া নির্যাতিত নিপীড়িত বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন তিনি।
এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে মিছিলের সামনে থেকে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে চিত্রাঙ্কনে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে গোল্ড মেডেল গ্রহণ করেন আয়েশা সিদ্দিকা মানী। ১৯৮২ ও ৮৮ সালে তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে কুটিরশিল্প ও প্রাথমিক চিকিৎসায় গোল্ড মেডেল গ্রহন করেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে সুপরিচিত ও জনপ্রিয় এই নেত্রী এ অঞ্চলের সংরক্ষিত আসনে নারী সাংসদ নির্বাচিত হলে অবহেলিত বাগেরহাটে ব্যাপক উন্নয়ন করতে পারবেন বলে মনে করেন বাগেরহাট বাসী।
আয়েশা সিদ্দিকা মানী জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনীতি করি। প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার খুব কাছের লোক ছিলাম। অনেক সঙ্গ দিয়েছি তাকে। তিনি অনেক ভালোবাসতেন আমাকে। এরশাদ এবং হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। একজন মহিলা হয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে চলা মোটেও সহজ বিষয় নয়। বাগেরহাট রামপাল এলাকায় আসতে পারি নাই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত প্রত্যেকটি প্রোগ্রামে খুলনা বাগেরহাট ও ঢাকায় অংশগ্রহণ করেছি। রাজপথে থেকেছি। আমি ৫ তারিখের পরে আসা কোন নেত্রী নই। বাগেরহাটবাসী আওয়াজ তুলেছে আমাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি দেখার জন্য। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে মনোনীত করেন আমি সকলকে নিয়ে বাগেরহাটের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাব।









