বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অভিযোগ করেছেন, বিরোধী দলের কিছু লোক মোটরসাইকেলের ট্যাংকিতে তেল ভরে অবৈধভাবে মজুত করে ‘ব্ল্যাক মানি’ করছে। তিনি বলেন, সরকার বিপুল ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি করছে, অথচ একটি চক্র সেই তেল অপব্যবহারের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জের মিরপুর ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। আগে যেমন চাহিদা ছিল, এখনও সেই পরিমাণ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তেল মজুত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আগে কখনো এভাবে পাম্পে ভিড় দেখা যায়নি। এখন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা চলছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ৫ লিটারের বেশি তেল সরবরাহ না করার জন্য তদারকি জোরদারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি প্রতিটি মোটরসাইকেল চালকের হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাধ্যতামূলক করার কথাও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু সহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এদিকে স্থানীয়দের মতে, হঠাৎ করে তেল নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসনের কড়াকড়ি নজরদারি থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।









