যশোরের হাসপাতাল ও বাড়িতে এখন ৩ হাজার ৫০৭ জন করোনা রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে করোনা ডেডিকেটেড যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাত্র ৮১ জন ও অন্যরা নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন। প্রতিদিনই হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শয্যা বাড়িয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ বলেন, ‘হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তির চাপ কমেনি। ১০ দিন ধরে একই রকম অবস্থা। প্রতিদিনই হাসপাতালের করোনা রেড ও ইয়োলো জোনে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর চাপ কমার কোনো লক্ষণ দেখছি না।’
করোনার সংক্রমণ কমানোর জন্য যশোরে টানা তিন সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। ৯ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত এলাকাভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করা করা। এতে সংক্রমণ না কমায় জেলাজুড়ে ২৩ জুন মধ্যরাত দিকে আরও সাত দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিধিনিষেধের ১৬তম দিনেও করোনোর সংক্রমণ কমেনি।
এ ব্যাপারে যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলেন, ‘যশোরে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এখন গ্রাম পর্যায়েও মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। সংক্রমণের এখন ঊর্ধ্বগতির সময় চলছে। এ কারণে কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েও সংক্রমণের লাগাম টানা যাচ্ছে না। সংক্রমণ কমতে সময় লাগবে। তবে লকডাউন বা বিধিনিষেধসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে যেতে হবে।’
বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে তৎপর প্রশাসন
আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহর ঘুরে দেখা গেছে, যশোর শহরে লোকজনের চলাচল একেবারেই কম। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের দোকান বাদে সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এমনকি রিকশা পর্যন্ত চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। শহরের খাজুরা বাসস্ট্যান্ড, দড়াটানা মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মধ্যে ব্যারিকেড দিয়ে মানুষের চলাচল সীমিত করার চেষ্টা করছেন পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকেরা। এতে মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের রোজগার কমেছে।









