রাজশাহীর পবা উপজেলায় মহিলা দলের দুই কর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ‘সচেতন নারী সমাজ।
শুক্রবার সকালে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা একাত্মতা প্রকাশ করেন। মানববন্ধন থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয় এবং দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের আহ্বান জানানো হয়।
গত (১১ নভেম্বর) পবা উপজেলার আশরাফের মোড় এলাকায় মহিলা দলের কর্মী নিলুফা ইয়াসমিন ও তার বোন নূরবানু বেগমকে স্থানীয় জামায়াতকর্মী নুরুল ইসলাম লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে রাজি না হওয়ায় নুরুল ইসলাম নিলুফা ইয়াসমিনকে জুতা খুলে মারধর করেন এবং তার বোন নূরবানু বেগমকে লাথি মারেন। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী নূরবানু নগরীর কাটাখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অপরিহার্য। তারা বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমেই দেশে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে। নারী নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত নুরুল ইসলামকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নাগরিকদের মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কাউকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন করা চলবে না। এছাড়াও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, মহিলা দলের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সামসাদ বেগম মিতালী এবং মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সখিনা খাতুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা নারী নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।










