প্রেস বিজ্ঞপ্তি-
ভারতের নৈহাটিতে এআইসিসিটিইউ-এর সর্বভারতীয় জাতীয় সম্মেলনে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা জননেতা কমরেড মাহমুদ হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে ভারতের মুদি আর বাংলাদেশের হাসিনা এক ও অভিন্ন। তারা উভয়েই ক্ষমতার জোরে দেশবাসীর ভাত ও ভোটের অধিকার হরন করেছেন। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তারা উভয়েই ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে মরিয়া। এদের কেউ নিজেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার নেতৃত্ব দেয় আবার কেউ দেশের অভ্যন্তরে উগ্র সাম্প্রদায়িকতাকে লালন করে। এই জাতিয় শাসক কোন দেশের জন্যই মঙ্গল বয়ে আনতে পারেন না।
তিনি বলেছেন, ভারতের হিন্দু মৌলবাদীদের আগ্রাসন আর বাংলাদেশের মুসলিম মৌলবাদীদের আগ্রাসনের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। এসব একই সুতাতে বাধা। দুর্বলের উপর সবলের আক্রমন, সংখ্যালঘুর উপর সংখ্যাগুরুর আক্রমন আর বিশ^ জুড়েই উগ্র মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠির আস্ফলন, দাঙ্গা-হাঙ্গামা কালেকালে যুগেযুগে কেবল নিরিহ সাধারণ মানুষের জান আর মালেরই ক্ষতি করেছে। পৃথিবীর কোন দেশের কোন ইতিহাসে উগ্র মৌলবাদী সাম্প্রদায়িকতা মানুষের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনি।
মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ভারতের উগ্র ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকার নাগরিকত্ব সংশোধন আইন বিরোধী আন্দোলনকে যেভাবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় দিকে ঠেলে দিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে তা একটি কলঙ্কের তিলক হিসাবেই জ¦লজ¦ল করবে। এবং ভবিষ্যত পৃথিবীর অসাম্প্রদায়িক মানুষের গণআদালতে এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির অপরাধে নিশ্চয় ভারতের বর্তমান শাসকগোষ্ঠিকে বিচারের কাঠগড়াতে দাঁড়াতেই হবে।
বার্তা প্রেরক-
মোক্তার হোসেন
সদস্য বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি
নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি









