মিরসরাই উপজেলার ১ নং করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম করেরহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে নিরলস কাজ করছেন। মানবিক ব্যক্তিত্ব ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গিয়াস উদ্দিন জসিম ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগদান করেন। ছাত্রজীবনের প্রতিটি স্তরে তিনি স্বক্রীয় ভাবে জড়িত থেকে ছাত্রলীগের অগ্রগামী কর্মী হিসেবে দলের সকল আন্দোলন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ছাত্রজীবনের গন্ডি পেরিয়ে গিয়াস উদ্দিন জসিম স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগে দায়িত্বে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। যুবলীগের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারেও তিনি সফলতার সাথে দলের দুঃসময়ে নিজেকে উজাড় করে কাজ করে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন। দীর্ঘ সময় করেরহাট ইউনিয়ন যুবলীগের নেতৃত্বে থাকার পর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগদান করেন।

ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দায়িত্ব থাকাকালীন যোগ্য নেতৃত্বের পুরস্কার স্বরূপ সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিমকে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতে ১ নং করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে করেরহাট ইউনিয়নের গণমানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি সুদক্ষ রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করেন তিনি। তার সুদক্ষ নেতৃত্বে করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ দলের সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করতে সক্ষম হয়। ফলে ১৯৯৬ সাল থেকে অদ্যবদি (২০২৩) সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব রয়েছেন বলে জানান স্থানীয় আওয়ামী লীগের ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ।

দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠনের একজন নিবেদিত প্রাণ আওয়ামী রাজনীতিবিদ সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম রাজনীতির পাশাপাশি নিজেকে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে গড়ে তুলেন। স্থানীয়রা জানান, গিয়াস উদ্দিন জসিম এলাকার বিভিন্ন সমাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থেকে মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে এলাকার রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট, মসজিদ ও মন্দির এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে সহায়তা করছেন। তিনি করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ছত্তরুয়া জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও করেরহাট কালি মন্দির কর্তৃপক্ষ জানান, সুলতান গিয়াস উদ্দিন ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মসজিদের ছাদ ও মন্দিরের ফটক নির্মাণ করেছেন।

করেরহাট ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত রাখতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন তিনি। ইভিটিজিং ও বাল্য বিবাহ রোধে বিভিন্ন সময় স্থানীয়দের অংশগ্রহণে তিনি সভা সেমিনারের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেন। যুব সমাজকে অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখতে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ রাখতে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

করেরহাট ইউনিয়নের অসহায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর ছেলে মেয়েদের শিক্ষা ও বিবাহ সম্পাদনে অর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। প্রতি বছর পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সনাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে গিয়াস উদ্দিন জসিমের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস জনিত কারনে হতদরিদ্র মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পড়ে তাদের খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়ে মানবতার হাত প্রসারিত করেছিলেন মানবিক ব্যক্তিত্ব ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম।

করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, তিনি একজন কর্মী বান্ধব নেতা।
এলাকার শিক্ষা বিস্তারে সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম নিজ অর্থায়নে গড়ে তুলছেন ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়। তার সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম জানান, ছাত্র জীবন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে নিজেকে মানব সেবায় আত্ম নিয়োগ করার চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, কতটুকু সফল হয়েছি তা জানিনা তবে আমৃত্যু মানুষদের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাই।








