আল্টিমেটাম দেয়ার এক মাস পর কুষ্টিয়া জেলার অর্ধশতাধিক নসিমন-করিমন কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে জেলা পুলিশ।আজ রবিবার, ১ মার্চ, এর মধ্যে ভাদালিয়া এলাকায় আব্দুর রশিদের সব থেকে বড় কারখানাও রয়েছে। শুধু কারখানা নয় যন্ত্রাংশ তৈরিসহ যেসব ওয়ার্কশপে নষ্ট নসিমন-করিমন মেরামত করা হয় সেগুলোও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এক মাস আগে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত মালিকদের ডেকে এক আল্টিমেটাম দেন।পুলিশ সুপার এসএম তানভীর বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে জেলার সব অবৈধ যান নসিমন-করিমনসহ সব কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোন কারখানায় এখন থেকে আর অবৈধ যান তৈরি করা চলবে না। এসব যান সড়কে না চললে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।পুলিশ ও নসিমন করিমন মালিকদের হিসেবে মতে জেলায় অর্ধশতাধিকেরও বেশি অবৈধ নসিমন-করিমন তৈরির কারখানা আছে। গক কয়েক যুগ ধরে এসব কারখানায় অবৈধ ফিনটেস বিহীন যানবাহন তৈরি করছিল মালিকরা।এর আগে, বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও রাজনীতিবিদ ও অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের কারনে কারখানা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। প্রতি মাসে কারখানা মালিকরা বিভিন্ন দপ্তরকে অবৈধ অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করে আসছিল।এদিকে, অবৈধ যানবাহন তৈরির কারখানা বন্ধের জন্য অনেকটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামেন পুলিশ। সবাইকে এক মাস আগে ডেকে সতর্ক করে দেন। কারাখানা সরিয়ে সেখানে অন্য কোন বৈধ ব্যবসা করার অনুরোধ করেন। নির্দেশ অমান্য করলে জেল-জরিমানার ঘোষনা দেন।কিছূ রাজনীতিবিদ অবৈধ যানবাহন চলাচলের জন্য তদবির করলেও তিনি বন্ধের বিষয়ে তার কঠোর অবস্থান ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত রোববার সারা দিনে জেলার সব কারখানা একে একে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়।









