মোঃ আউয়াল হোসেন পাটওয়ারী, রামগঞ্জ(লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ
ভাই আমি যদি হজ্বে যেতে পারতাম, যদি জমজমের পানি খেতে পারতাম তাহলে মনে হয় আমি সুস্থ্য হয়ে যাবো। আমার স্বপ্ন হজ্বে গেলে আমার ক্যান্সার ভালো হয়ে যাবে। আমি খুব অসুস্থ্য আমার সামর্থ্য নেই চিকিৎসা করানোর। এত টাকা কই পাবো। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, ইউনাইটেড হসপিটালসহ অনেক নামকরা হসপিটালে চিকিৎসা নিয়েছি মানুষের সহযোগীতায়। আর সম্ভব হচ্ছে না। কিছুটা সুস্থ্য হয়ে হেঁটে হেঁটে ফেরী করে কাপড়ের ব্যাবসাও আর করতে পারছি না। এখন শয্যাশায়ী। সহায় সম্বল যা কিছু ছিলো সবই বিক্রি করে দিয়েছি নিজের চিকিৎসার জন্য। স্ত্রী ও এক ছেলে ও এক মেয়ে আমার মৃত্যুর পরে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সে চিন্তায় এখন কষ্ট দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। নিজের জন্যও কিছু করতে পারিনি। এখন স্বপ্ন দেখি যদি হজ্বে যেতে পারতাম তাহলে আল্লাহপাক হয়তো আমাকে ক্ষমা করে দিতেন। সৌদি দুতাবাস ও সমাজের প্রতিষ্ঠিত মানুষরা যদি আমাকে একটিবার হজ্বে যাওয়ার ব্যাবস্থা করতো, তাহলে আল্লাহপাকের কাছে দুই হাত তুলে দোয়া করতাম। অনেক কষ্টে কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন রামগঞ্জ পৌর পূর্ব কাজীরখীল গ্রামের চৌকিদার বাড়ীর আবু তাহের মিয়ার ছেলে ক্যান্সার আক্রান্ত মোঃ মোরশেদ আলম (৩৩)।
বছর তিনেক পূর্বে দুই সন্তানের বাবা মোরশেদ আলমের শরীরে ধরা পড়ে ব্লাড ক্যান্সার। এমন খবরে একমাত্র উপার্জনক্ষম মোরশেদ আলমের পরিবার চোখে মুখে অন্ধকার দেখেন। সহায় সম্বল বিক্রি করেও কোন প্রতিকার পাননি। উপরুন্ত দিন দিন শরীর ভেঙ্গে পড়ে, অসাড় হয়ে পড়ে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
গতকাল মোরশেদ আলম জানান এ সময়ে যদি কেউ একটিবার আমাকে হজ্বে নিয়ে যেতো, জমজমের পানি খেলে হয়তো আমি সুস্থ্য হয়ে যেতাম। অনেকেই তো বাবা মায়ের নামে প্রতিবছর হজ্বে লোকজন নিয়ে যায়, এমন একজন ভাই যদি আমাকে একটিবারের জন্য সে সুযোগ দিতো।
যোগাযোগের ঠিকানা; মোঃ মোরশেদ আলম, পিতা: আবু তাহের, মা: খুরশিদা বেগম, গ্রাম: পূর্ব কাজীরখীল চৌকিদার বাড়ী, পোঃ থানা রামগঞ্জ, জেলা লক্ষ্মীপুর। এছাড়া তাকে সাহায্য পাঠানোর জন্য ইসলামী ব্যাংক রামগঞ্জ শাখার একাউন্ট নং ১৭৭৯, মোবাইল: ০১৭৭৯৯৮১৬১৮







