গাইবান্ধা সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ নভেম্বর (শুক্রবার) সকালে বিদ্যালয় হলরুমে আলোচনা সভা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. মঞ্জুরুল হাসান সৌরভের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র অ্যাড. শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন, অ্যাড. আনাম, প্রধান শিক্ষিকা সাহানা বানু, আব্দুল হামিদ, প্রাক্তন শিক্ষক আনোয়ারুল কাদির, নিরাপদ যানবাহন চাই সংগঠনের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সরকার মিলন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে মাকছুদুল হক তুর্য্য, লিয়াকত আলী, রৌজ, সাধ এবং শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, গাইবান্ধা সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে শিক্ষানুরাগী ও দানশীল মানুষের একান্ত প্রচেষ্টায় গাইবান্ধা উচ্চ ইংরেজী নামে প্রতিষ্ঠা হয়। অতঃপর গাইবান্ধা লোকাল হাইস্কুল, তৎপরবর্তীকালে গাইবান্ধা মডেল হাইস্কুল নামে এবং ১৯৬৮ সালে সরকারি করণের পর গাইবান্ধা গভার্ণমেন্ট হাইস্কুল,বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা স্কুল নামে পরিচিত লাভ করে।
ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয় থেকে অনেক শিক্ষার্থী দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। উল্লেখ্য এই বিদ্যালয়ের এক সময় সহকারী শিক্ষক ছিলেন এ.আর.এম হাফিজুর রহমান, যিনি সম্প্রতি ইন্তেকাল করেছেন। জানা যায়, তার চাকুরিচ্যুতির পর পাওনা বেতন ছিলো ৫৮৫০/- টাকা মাত্র।
উক্ত টাকার দাবীর বিপরীতে বিদ্যালয়ের ৭৩ শতাংশ জমি স্বনামে নিলাম দেখান। যে জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৪ কোটি ষাট লক্ষ টাকা। এছাড়াও বর্তমান হেড পোষ্ট অফিসের পার্শ্বে অত্র বিদ্যালয়ের ১৮ শতাংশ জমি কতিপয় ভূমিদস্যুরা দখল করে আছে। শিক্ষার্থীরা জানায় আমরা কোনভাবে আমরা বিদ্যালয়ের পবিত্র জমি ভূমিদস্যুদের দখল নিতে দিবো না। বিদ্যালয়ের জমি এভাবে ভূমিদস্যুদের হাতে থাকবে তা নিয়ে উত্তাল প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, বর্তমানে গাইবান্ধার কতিপয় লোভী ও ভূমিদস্যু গাইবান্ধা জেলা স্কুলের বি-টিম খেলার মাঠের ৭৩ শতক জমি কোনভাবে মামলা মোকদ্দমার দোহাই দিয়ে দখল ও গৃহাদি নির্মাণের পাঁয়তারা করছে।
দলবল নির্বিশেষে গাইবান্ধার আপামর সচেতন শিক্ষানুরাগী মানুষ সম্মিলিতভাবে এই অপপ্রয়াস প্রতিহত করার আহবান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ বরেণ্য ব্যাক্তিগণ। সেই সাথে যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট আশুদাবি জানিয়েছেন সচতন মহল।








