ক্যান্সার ও সার্জিক্যাল চিকিৎসায় স্থানিক পদ্ধতি প্রয়োগে সফলতা পেয়েছেন খুলনার এক প্রবীণ হোমিও চিকিৎসক। এ ক্ষেত্রে ওষুধ নির্বাচনের পদ্ধতিও আবিষ্কার করেছেন তিনি।
খুলনার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করেন ডাঃ এ কে মন্ডল। লোভ লালসার উর্ধ্বে উঠে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন এমন মানুষ সাধারণত পাওয়া যায় না।
ডাঃ এ কে মন্ডল ভারত থেকে আগত তার জন্মস্থান বটিয়াঘাটার কৃর্তি সন্তান অধ্যাপক আব্দুল গফফার সাহেবের কাছ থেকে হোমিও চিকিৎসার সকল বিষয়ে দক্ষতা লাভ করেন। তিনি শুরুতে বটিয়াঘাটা, পাইকগাছা ও সর্বশেষ ২০০৫ সালে খুলনার ডাকবাংলা সিমেট্রি রোডে “সীমাহীন হোমিও প্যাথিক” চিকিৎসালয়ের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। আস্তে আস্তে খুলনাতে তার চিকিৎসার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
তার সফলতা যখন আকাশচুম্বী তখন তিনি ভাবেন দেশে অনেক মানুষ দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। তাদের জন্য কিছু করা দরকার। অল্প খরচে কিভাবে হোমিও চিকিৎসায় ক্যান্সার রোগ নিরাময় করা যায় সে বিষয়ে ব্যাপক গবেষনা শুরু করে দীর্ঘদিনের গবেষণায় তিনি সফলতা অর্জন করেন এবং তার হাতে অসংখ্য ক্যান্সার রোগী ভাল হতে থাকে। এমনকি ভারত থেকে ফেরত আসা রোগীও তিনি চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন।
ডাঃ এ কে মন্ডল ক্যান্সার ছাড়াও- হেপাটাইটিস বি ভাইরাস, কিডনি ষ্টোন, হাপানি এজমা, চর্ম, গ্যাংরিং, ব্রেষ্ট টিউমারসহ অসংখ্য রোগের চিকিৎসা করে থাকেন।
হোমিওপ্যাথিতে ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করা চিকিৎসক ডাঃ এ কে মন্ডল জানান, যে সব রোগে দেহের কাঠামো বা গঠনগত পরিবর্তন ঘটে সে রোগ হোমিও মতে অসাধ্য বা দুরারোগ্য। যে রোগীর দেহের কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে না কেবল ক্রিয়াগত পরিবর্তন ঘটে সেখানেই গতানুগতিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্ভব। সেক্ষেত্রে তার ক্যান্সার ও সার্জিক্যাল চিকিৎসার জন্য স্থানিক পদ্ধতি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
তিনি আরও জানান, ‘‘যে কোনও দুরারোগ্য রোগকেই সারানো যায় যদি রোগীর মানসিক দিক থেকে চিকিৎসা করা হয়৷ ক্যান্সার হলেই যে কোনও রোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে৷ কার্যত মৃত্যুকে বরণ করেই নেয়৷ জীবনে হতাশা গ্রাস করে তাকে৷ সেক্ষেত্রে আমরা আগে রোগীর মনের জোর বাড়াই৷









