খুলনা চুকনগরে কাঁঠালতলা-কপিলমুনি সড়কের বেহাল অবস্থা। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এবং অব্যবস্থাপনায় চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে কাঁঠালতলা-কপিলমুনি ভায়া মাগুরখালীটি। পাকা সড়কটির প্রায় ৩০কিলোমিটার সড়কের বেশির ভাগ জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। বর্তমানে বৃষ্টি মৌসুমে পানি জমে ওই গর্ত গুলো খানা-খন্দে রুপ নিয়েছে। ফলে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চাকা গর্তে আটকা পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকার জনসাধারণ। সরেজমিনে স্থানীয় ভূক্তভোগী মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্তে কাঁঠালতলা-ভায়া মাগুরখালী-কপিলমুনি সড়কটি অবস্থিত। যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজতর করতে এ সড়কটি প্রায় ১৬ বছর আগে নির্মিত হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সড়কটি সংস্কারের অভাবে সৃষ্টি হওয়া খানা-খন্দে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দূর্ঘটনা। যানবাহনসহ সাধারণ মানুষ ঝুকিপূর্ণ ভাবে যাতায়াত করছে এ সড়ক দিয়ে। আবার এ সড়কটি খুলনা জেলার ডুমুরিয়া-পাইকগাছা আন্তঃ সড়ক হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কাঁঠালতলা বাজার হতে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি পর্যন্ত প্রায় ৩০কিলোমিটার সড়কের দৈর্ঘ্য। এর মধ্যে কাঁঠালতলা হতে মাগুরখালী ইউনিয়নের শিবনগর-চটচটিয়া ব্রিজ পর্যন্ত ১৮কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিটুমিন ইট খোয়া পাথর উঠে গিয়ে ছোট-বড় খানা খন্দকে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হলেও যেন বিষয়টি দেখার কেউ নেই। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরণের যানবাহন, জরুরি সেবা পন্য পরিবহন, পিকআপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, ইজিবাইক, ভ্যান, মোটর সাইকেলসহ হাজার হাজার যানবাহন ও পথচারি, স্কুল কলেজ গামী শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। পাইকগাছা পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে রয়েছে ১৫টি স্কুল ২টি কলেজ, ১৫টি ছোট-বড় হাটবাজার, মাগুরখালী ইউনিয়ন পরিষদ, মাগুরখালী পুলিশ ফাঁড়ি, শোভানা ইউনিয়নের মাদারতলা পুলিশ ফাঁড়ী ও একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। তাছাড়া প্রাত্যন্ত এ জনপদের কৃষকের উৎপাদিত ফসল সবজি, ধান ও মাছ বাজারজাত সহ যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে এ সড়কটি ব্যবহার হয়ে থাকে। ফলে সড়কটি ব্যস্থতম ও যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।









