বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্লকচেইন প্রযুক্তির প্রসার এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে আলোচনায় এসেছেন তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সার সামি খান। ২০০২ সালের ৫ জুলাই জন্মগ্রহণ করা এই উদ্ভাবক অল্প বয়স থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ও বিভিন্ন প্রকল্পে কাজের মাধ্যমে নিজেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলেন।
সামি খান ব্লকচেইন প্রযুক্তির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—যেমন স্মার্ট কন্ট্রাক্ট, ডিস্ট্রিবিউটেড লেজার, ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং ডিসেন্ট্রালাইজেশন —নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার লক্ষ্য হলো আধুনিক এই প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে ব্লকচেইনভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করা।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন [NovachainXSB], যা ব্লকচেইন ও আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে আগ্রহী নতুন ফ্রিল্যান্সার ও তরুণদের জন্য একটি দক্ষতা উন্নয়নভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় রিসোর্স এবং অভিজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করছে।
সামি খানের মতে, ব্লকচেইন প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতি, ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা গেলে বাংলাদেশও বৈশ্বিক ব্লকচেইন ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
ভবিষ্যতে দেশের তরুণদের জন্য আরও উন্নত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাও তার অন্যতম লক্ষ্য।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সামি খানের এই উদ্যোগ তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ব্লকচেইন প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গঠনে তার প্রচেষ্টা বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
Please follow and like us:









