ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা বাজার এলাকায় দোহার-ঢাকা প্রধান সড়কে গর্ত, খানাখন্দভরা। রাস্তায় চার ভাগের প্রায় তিন ভাগই ভেঙে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে ভরে যায় রাস্তা। আর এতে ব্যাপক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে চলাচলে। রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা এতই খারাপ যে, পায়ে হেটে চলাচল করতেই কষ্ট হয়। আর রিক্সা বা অটোরিকশা, মোটরসাইকেলে চলাচল করতেও কম দুর্ভোগ পোহাতে হয় না। কয়েকমাস পূর্বে দোহার-ঢাকা প্রধান সড়ক পুনঃ মেরামত বা সংস্কার করা হলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারনে সম্পূর্ণ সংস্কার করা হয়নি নারিশা বাজার এলাকার ‘নারিশা ইব্রাহিমীয়া মাদ্রাসা’ থেকে ইউনুস হাওলাদারের চালের দোকান পর্যন্ত প্রায় ৫০ ফুট রাস্তা। আর তাই কাদা পানি পাড়িয়ে এই ভাঙা রাস্তা দিয়েই পাড় হতে বাধ্য হচ্ছে শতশত পথচারী ও যানবাহন চালকেরা।
স্থানীয় চায়ের দোকানদার শেখ শহীদ জানায়, বিগত একমাস যাবৎ নারিশা বাজার সংলগ্ন এই রাস্তায় পানি জমে রয়েছে। প্রথমে বন্যার পানি ও পরে বৃষ্টির পানি জমা হলেও তা এখনো নিষ্কাশন করা যায়নি। দোকানের পাটাতন পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়াতে বেশ কয়েকদিন তার চায়ের দোকানটাও বন্ধ রাখতে হয়েছে।
স্থানীয় ইজিবাইক চালক মো. হান্নান বলেন, নারিশা বাজারের রাস্তার এই সমস্যাটা প্রায় একমাস হয়ে গেলেও এখনো তা সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। কিছুদিন পূর্বে ভাঙা রাস্তা ও রাস্তায় অতিরিক্ত পানি জমে থাকার কারনে জয়পাড়া যেতে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে বলেও জানায় সে।
নারিশা বাজার বণিক সমিতির পক্ষ থেকে সাধারণ পথচারীদের রাস্তা পাড়াপাড় করার জন্য বালু ভর্তি বস্তা বসানো হয় এবং রাস্তার পানি অপসারণের জন্য নালা কেটে দেওয়া হয়। কিন্তু বাজার কমিটির এই উদ্যোগে তেমন কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে। ইতোমধ্যে দোহারের প্রধান সড়কগুলো মেরামত ও সংস্কার করা হলেও কেন নারিশা বাজারের এই ৫০-৬০ ফুট রাস্তার কাজ এখনো অব্দি শুরু করা হয়নি সেই প্রশ্নই এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এমতাবস্থায় রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করার মাধ্যমে এলাকাবাসী ও যাত্রীদের দূর্ভোগ কমিয়ে আনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় পথচারী ও যানবাহন চালকেরা।









