মোঃ আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ আসছে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় নাগরপুরে খোরশেদ মার্কেটে জমে উঠেছে পশুর হাট। টাঙ্গাইল ৬ আসনের সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটু (এমপি) শুক্রবার বিকেল বেলা নাগরপুরের সর্ব বৃহৎ পশুর হাট খোরশেদ মার্কেট পরিদর্শন ও কোরবানির পশু ক্রয় করলেন এ হাটেই। সরেজমিন দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। দেশী বিদেশী নানা জাতের গরু উপস্থিতি উল্লেখ যোগ্য। তবে ক্রেতাদের চাহিদা মাঝারি সাইজের দেশী গরু।
বাজারে অন্যবারের তুলনায় গরুর দাম কিছুটা কম থাকলেও বিক্রেতা ও ক্রেতারা উভয়েই হতাশার সুর। তবে বিক্রেতাগন প্রত্যাশা করছেন, আগামী ১১ আগস্ট (ঈদের আগের দিন) সর্বশেষ হাটে কেনা-বেচা বেশি ও সঠিক মূল্য পাবেন। উপজেলা সদরের বাসিন্দা মোঃ সিরাজ আল মাসুদ মিঠু ও ঘিওরকোল গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন জজ ও রিপন জানান, গরুর হাটের ঘুরে দেখছি। বাজেট অনুযায়ী গরু কিনব।
সিরাজ আল মাসুদ মিঠু বলেন, ঈদের এত আগে থেকে গরু কিনে রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন। যেহেতু সময় আছে দেখে শুনে বুঝেই সঠিক মূল্যে গরু কিনতে চাই। হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ হাটে রয়েছে ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিক্রেতাদের জন্য নিরাপত্তা সহ থাকা খাওয়ার সু ব্যবস্থা। পশুর স্থাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম রয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তত্তাবধানে এই মেডিকেল টিম এখানে কাজ করছে। আইন শৃঙ্খলা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে পুলিশ প্রসাশন। সার্বক্ষণিক পুলিশী টহলের পাশাপাশি রয়েছে হাট কমিটির স্বেচ্ছাসেবক দল। এমন ব্যবস্থায় আমারা ক্রেতা বিক্রেতারা সন্তুষ্ট।
হাটে গরুর হাসিল ৪০০-৫০০ টাকা, ছাগল, ভেড়ার জন্য ১০০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।









