ছবি : দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট থেকে নেয়া
ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জমা করা প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয় পানি সমুদ্রে ছাড়তে পারে জাপান। অস্থায়ীভাবে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার। টোকিও ইলেকট্রনিক শীতল পাইপ হতে জ্বালানি কোরগুলোকে গলানো হাত থেকে রক্ষায় ব্যবহৃত প্রায় ১.২ মিলিয়ন টন দূষিত পানি সংগ্রহ করেছে।
পূর্ব জাপানের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০১১ সালের ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে ধ্বংস হয়েছিলো। এমন খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটেন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
এই পানিতে ৬২ ধরনের তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে, যা এখন অকেজো বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাশে বড় একটি ট্যাঙ্কে মজুদ রাখা হয়েছে। কিন্তু টোকিও ইলেকট্রনিক বলেছে, ২০২২ সাল নাগাদ সেটাতে পানি রাখার আর জায়গা থাকবে না।
ওই পানি পরিশোধন করা হয়েছে। টোকিও ইলেকট্রনিক বলেছে, পানি থেকে মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন তেজস্ক্রিয় উপাদান দূর করা গেছে, শুধুমাত্র ট্রিটিয়াম ব্যতিত। এটি হাইড্রোজেনের একটি আইসোটোপ যা পানি থেকে পৃথক করা কঠিন।
জাপানের অর্থনীতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করা একদল বিশেষজ্ঞ তাদের সিদ্ধান্তে জানান, অন্যান্য প্রস্তাবগুলো দেখার পর পানিকে সমুদ্রের মধ্যে ফেলাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। এছাড়া অন্য আরো একটি কার্যকর বিকল্প হলো পানিকে বাষ্পীভূত করা।
১ ফ্রেরুয়ারি, শুক্রবারের প্রস্তাবনায় মন্ত্রণালয় জানায়, একটি সমুদ্রে ছাড়াই শ্রেয় কারণ এখানে থেকে নমুনা, পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস পাওয়া সহজ।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বাষ্পীভূত করার তুলনায় সমুদ্রে ছাড়াই সবচেয়ে নিরাপদ করা যায়।’ এটা সারাবিশ্বের দিকে ইঙ্গিত করে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে চলোমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো প্রতিনিয়ত ট্রিটিয়াম যুক্তপানি সমুদ্রে ফেলছে।
কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য এই সিদ্ধান্ত চিন্তার কারণ হতে পারে। এছাড়াও ২০২০ সালে আসন্ন অলিম্পিক গেমস আয়োজন করবে জাপান। এর কিছু অনুষ্ঠান যেখানে হবে সেখান থেকে ফুকুশিমার ওই অকেজো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার।
তেজস্ক্রিয় পানি স্বাস্থ্যে কি ধরনের প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে শঙ্কিত সেখানকার জেলে ও বাসিন্দারা। একই সাথে অঞ্চলের চিত্র ও খামার শিল্পও ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
এদিকে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পারমাণবিক বিপর্যয়ের পর জাপানের ফুকুশিমা অঞ্চল থেকে সামুদ্রিক খাবার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। এছাড়াও ফুকুশিমার পানি কিভাবে মোকাবেলা কবে তা জানতে চেয়ে গত বছর জাপানি দূতাবাসের র্শীষ কর্মকর্তাকে তলব করে দেশটি।
এদিকে জাপানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অলিম্পিকে দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাথলেটরা তাদের সঙ্গে তেজস্ক্রিয় শনাক্তকরণ যন্ত্র ও খাবার নেয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পানি থেকে ট্রিটিয়াম আলাদার করার জন্য প্রতিষ্ঠিত কোনো পদ্ধতি নেই। কিন্তু স্বল্প মাত্রার উপস্থিতিতে কোনো সমস্যা নেই। সরকারি কর্মকর্তারা আরো বলছেন, সারা বিশ্বের পারমাণবিক প্ল্যান্টগুলো থেকে নিয়মিত ট্রিটিয়াম ছাড়া হয়।
ছবি : দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট থেকে নেয়া
ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জমা করা প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয় পানি সমুদ্রে ছাড়তে পারে জাপান। অস্থায়ীভাবে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার। টোকিও ইলেকট্রনিক শীতল পাইপ হতে জ্বালানি কোরগুলোকে গলানো হাত থেকে রক্ষায় ব্যবহৃত প্রায় ১.২ মিলিয়ন টন দূষিত পানি সংগ্রহ করেছে।
পূর্ব জাপানের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০১১ সালের ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে ধ্বংস হয়েছিলো। এমন খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটেন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
এই পানিতে ৬২ ধরনের তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে, যা এখন অকেজো বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাশে বড় একটি ট্যাঙ্কে মজুদ রাখা হয়েছে। কিন্তু টোকিও ইলেকট্রনিক বলেছে, ২০২২ সাল নাগাদ সেটাতে পানি রাখার আর জায়গা থাকবে না।
ওই পানি পরিশোধন করা হয়েছে। টোকিও ইলেকট্রনিক বলেছে, পানি থেকে মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন তেজস্ক্রিয় উপাদান দূর করা গেছে, শুধুমাত্র ট্রিটিয়াম ব্যতিত। এটি হাইড্রোজেনের একটি আইসোটোপ যা পানি থেকে পৃথক করা কঠিন।
জাপানের অর্থনীতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করা একদল বিশেষজ্ঞ তাদের সিদ্ধান্তে জানান, অন্যান্য প্রস্তাবগুলো দেখার পর পানিকে সমুদ্রের মধ্যে ফেলাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। এছাড়া অন্য আরো একটি কার্যকর বিকল্প হলো পানিকে বাষ্পীভূত করা।
১ ফ্রেরুয়ারি, শুক্রবারের প্রস্তাবনায় মন্ত্রণালয় জানায়, একটি সমুদ্রে ছাড়াই শ্রেয় কারণ এখানে থেকে নমুনা, পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস পাওয়া সহজ।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বাষ্পীভূত করার তুলনায় সমুদ্রে ছাড়াই সবচেয়ে নিরাপদ করা যায়।’ এটা সারাবিশ্বের দিকে ইঙ্গিত করে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে চলোমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো প্রতিনিয়ত ট্রিটিয়াম যুক্তপানি সমুদ্রে ফেলছে।
কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য এই সিদ্ধান্ত চিন্তার কারণ হতে পারে। এছাড়াও ২০২০ সালে আসন্ন অলিম্পিক গেমস আয়োজন করবে জাপান। এর কিছু অনুষ্ঠান যেখানে হবে সেখান থেকে ফুকুশিমার ওই অকেজো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার।
তেজস্ক্রিয় পানি স্বাস্থ্যে কি ধরনের প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে শঙ্কিত সেখানকার জেলে ও বাসিন্দারা। একই সাথে অঞ্চলের চিত্র ও খামার শিল্পও ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
এদিকে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পারমাণবিক বিপর্যয়ের পর জাপানের ফুকুশিমা অঞ্চল থেকে সামুদ্রিক খাবার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। এছাড়াও ফুকুশিমার পানি কিভাবে মোকাবেলা কবে তা জানতে চেয়ে গত বছর জাপানি দূতাবাসের র্শীষ কর্মকর্তাকে তলব করে দেশটি।
এদিকে জাপানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অলিম্পিকে দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাথলেটরা তাদের সঙ্গে তেজস্ক্রিয় শনাক্তকরণ যন্ত্র ও খাবার নেয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পানি থেকে ট্রিটিয়াম আলাদার করার জন্য প্রতিষ্ঠিত কোনো পদ্ধতি নেই। কিন্তু স্বল্প মাত্রার উপস্থিতিতে কোনো সমস্যা নেই। সরকারি কর্মকর্তারা আরো বলছেন, সারা বিশ্বের পারমাণবিক প্ল্যান্টগুলো থেকে নিয়মিত ট্রিটিয়াম ছাড়া হয়।








