৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • দেশজুড়ে
  • বাগমারায় ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চালের বাজার অস্থির




বাগমারায় ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চালের বাজার অস্থির

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মার্চ ২১ ২০২০, ২১:৫১ | 817 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় করোনা আতঙ্কের গুজব ছড়িয়ে ও প্রশাসনিক ভাবে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় হঠাৎ করেই অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেপরোয়া ভাবে সব ধরনের চাল প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা বেশিতে বিক্রি করছে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা। এতে ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে না থাকায় চরম ভাবে বিপাকে পড়েছে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ জনেরা। চালের এই দাম বাড়ার কারণ হিসেবে কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন উপজেলার তাহেরপুর ও ভবানীগঞ্জ পৌরসভা হাটের কয়েকজন ক্ষুদ্র চাল বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে চালের আড়ঁতদার,মজুতদার ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দেয়া হলেও প্রতিদিনই বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর,ভবানীগঞ্জ,মোহনগঞ্জ,হাটগাঙ্গোপাড়া,শিকদারীসহ গ্রামগঞ্জে বাড়ছে চালের দাম। কিন্তু অদৃশ্য কারসাজিতে চালের দাম কমছে না। বরং হু হু করে বেড়েই চলেছে। কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, এখন কৃষকদের গোলায় ধান নেই বললেই চলে। কেবল বিক্রির উদ্দেশ্যে যারা মজুদ করেছিলেন তারা ধান বিক্রি করছেন। আর বিপুল পরিমাণ চাল রাইচ মিলের গোদাম ও প্রতিটি পাইকারী দোকানে মজুদ থাকার পরও দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। হঠাৎ চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ টাকায়। একই পরিমাণ আঠাশ ও জিরা চাল বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ১০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি বস্তা (৫০কেজি) গুটি স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৬০০ টাকায়। একই পরিমাণ চিকন স্বর্ণার দাম তিন হাজার ৬৫০ টাকা দরে।পাইকারি বাজারে কেবল এ চার ধরনের চালের আধিক্য রয়েছে। তাহেরপুর পৌর এলাকার (ভ্যানরিক্সা গাড়ি) চালক রফিকুল ইসলাম,মালেক,কাসেম,(ভটভটি লছিমন গাড়ি) চালক জালাল উদ্দিন,হানেম,কুদ্দুস,মালেক ও দিনমজুর শমসের,আলেক,কাজেম,হাবিবুর,লালন,জলিল উদ্দিন,রহমান ও সফিক আক্ষেপ করে বলেন, দিন দিন চাউলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের মত শ্রমিকেরা মোটা চাউল ক্রয় করাও নাগালের বাহিরে চলে গেছে। এ ভাবে চালের বাজার অস্থিরতা থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিসহ হয়ে পড়বে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের অতি জরুরী পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলে তারা মনে করছেন। এবিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফ আহম্মেদের সাথে মোবাইল ফোনে গতকাল শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ০১৭০৯৯৮৯৫৩০ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET