হিলি প্রতিনিধি।দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত হিলি স্থলবন্দর।এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বেশির ভাগ পেয়াঁজ,খৈল,পাথর আমদানি হয়ে থাকে।তার মধ্যে পেয়াঁজ আমদা নিকে কেন্দ্র করে বন্দর এলাকায় গড়ে উঠেছে বেশ কিছু পেয়াঁজের আড়ৎ,যেখানে প্রতিদিন
বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারেরা এসে পেয়াঁজ কিনে নিয়ে যায়।ঈদের ছুটির পর এই বন্দর দিয়েপেয়াঁজ আমদানি অল্প পরিসরে হওয়ায় লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে আমদানিকৃত পেয়াঁজের দাম। ঈদের আগের তুলনায় ঈদের পরে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে যায় পেয়াঁজের দাম।তবে আজ ২৪ আগষ্ট শনিবার ব্যতিক্রম দেখা গেছে বন্দরের আড়ৎ গুলোতে।পেয়াঁজের আমদানি বাড়ার সাথে সাথে কমতে শুরু করেছে দাম। প্রকারভেদে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১২ টাকা। আর বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। ঈদের পর গত বুধবার যে পেয়াঁজ বন্দরে বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা ।হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন জানান, ছুটির পর পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় আমদানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে,যে কারনে দাম কমতে শুরু করেছে।তিনি আরো জানান,আমরা ভারতে আমদানিকারক দের চাপ দিয়েছি বেশি পরিমানে পেয়াঁজ রপ্তানিতে। তারা বিভিন্ন রাজ্যে থেকে পেয়াঁজ সংগ্রহ করে ইতিমধ্যে আমাদের রপ্তানি করছে। আর এই কারনে বন্দরে বেশি পরিমান পেয়াঁজ প্রবেশ করায় দাম কমেছে।আশা করছি সামনে দাম আ রো কমে আসবে।পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান,আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দাম কমতে শুরু করে ছে। আজ আমরা বন্দরে পেয়াঁজ বিক্রি করছি সবচেয়ে ভালো পেয়াঁজটা ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি,যে পেয়াঁজ গত বুধবার বিক্রি করেছি ৪৪ টাকা দরে। আর সর্বনিম্ন বিক্রি করছি ২৮ টাকা কেজিদরে,যা আগেবিক্রি করেছিলাম ৩৮ টাকা কেজি দরে।প্রকার ভেদে কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা কমে ছে।তিনি আরো জানান, ভারতে আমাদের প্রচুর পরিমানে পেয়াঁজের এলসি দেওয়া আছে। সেগুলো বন্দরে প্রবেশ করলে দাম স্বাভাবিক থাকবে।পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার আইয়ুব আলী জানান, গতকয়েক দিনের থেকে পেয়াঁজের দাম একটু কমে ছে। আমরা স্বস্তিতে কিনতে পারছি।আমরা কম দামে পেয়াঁজ কিনতে পারলে ক্রেতা রাও কম দামে কিনে খেতে পারবে। তিনি আরো জানান, দামটা আরো একটু কমলে আমাদের বেচা-কেনা ভালো হবে।গত দুই দিনের থেকে প্রকারভেদে কেজিতে ১০ টাকা কমেছে প্রতিকেজি পেয়াঁজে।হিলি কাষ্টমস সূত্রে জানা যায়, বন্দরে গেলো সপ্তাহের ৫ কর্ম দিবসে ১১২টি ভারতীয়
ট্রাকে ২ হাজার ৫শ মেট্রিক টন পেয়াঁজ আমদানি হলেও চলতি সপ্তাহের আজ শনিবার প্রথম কর্ম দিবসে ভারতীয় ৩২ ট্রাকে ৮শ মেট্রিক টন পেয়াঁজ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।









