, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • মুকসুদপুরে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি চাষের ১৬টি বাক্স ভেঙ্গে ২ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে দুর্বৃত্তরা




মুকসুদপুরে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি চাষের ১৬টি বাক্স ভেঙ্গে ২ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে দুর্বৃত্তরা

মোঃ ইনামুল হাসান নাইম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ,ঢাকা।

আপডেট টাইম : আগস্ট ০৪ ২০১৯, ২২:৩২ | 784 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

মুকসুদপুর প্রতিনিধি:গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মৌমাছির সাথে শত্রুতা করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করা মৌমাছির ১৬টি বাক্স ভেঙ্গে ২ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের দূবার্শুর গ্রামে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি চাষ করেন গোবিন্দপুর ইউনিয়নের
কেন্দুয়া গ্রামের কৃষক মজনু কাজী। মৌ চাষী মজনু কাজী অভিযোগ করে জানান, শুক্রবার সকালে তিনি তার মৌ খামারে জান। সেখানে গিয়ে দেখেন তার মৌ খামারের ৪০টি মৌ বাক্সের মধ্যে ১৬ টি মৌ বাক্স ভাঙ্গাচুড়া ও এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। বাক্সের ভেতরে থাকা সকল মাছি উড়ে গেছে। এতে তার প্রায় ২লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান যার বাড়ির আঙ্গিনায় মৌমাছি চাষ করা হয় তার অনুমিত নিয়েই চাষ করা হয়। বাড়ির মালিক থাকেন বিক্রমপুর। বাড়ি দেখা শোনা করেন খান্দারপাড়া ইউনিয়নের
গোপালপুর গ্রামের অমল ভক্তর ছেলে অশোক ভক্ত। সে বাড়ির মালিকের কাছে না জানিয়ে বাড়ির আঙ্গিনার গাছ কাটার সময় মৌমাছির বাক্সের উপর ফেলে বাক্স গুলো ভেঙ্গে ফেলে এতে বাক্সের ভেতর থাকা সকল মাছি উড়ে গেছে। এবিষয়ে তাকে বলা হলে সে বলে মানুষ মেরে ফেলে- কিছু হয় না আর তো মৌ মাছির বাক্স ভাঙ্গা হয়েছে। মৌ চাষী মজনু কাজী আরো জানায়, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌ চাষ করলে প্রতি বছর সরষে মৌশুসে ৪০টি বাক্স থেকে প্রতি ৭দিন পর পর ১৪০ কেজি করে মধু আহরণ করা হতো।যা প্রতি সিজনে চার বার করে আহরণ করা হতো। এক কেজি মধু প্রায় ৩০০-৪০০ টাকা করে বিক্রি হতো। আর সিজন শেষ হয়ে যাওয়ার পরবর্তী সিজন পর্যন্ত মৌমাছি বাঁচিয়ে রাখতে প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়। আর এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌ চাষ করলে সরষের ফলনও বৃদ্ধি হয়। এছাড়া স্থানীয় বেকার যুবকরাও তার থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌ মাছি চাষে উদ্বুদ্ধ হয়। কিন্তু তার এই মৌ মাছি চাষের সাথে শত্র“তা করে মৌ বাক্স ভেঙ্গে ফেলায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। খান্দারপাড়া ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রুহুল কুদ্দুস আহমেদ জানান, আমি শুনেছি মজনু কাজীর মৌ বাক্স ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। তার এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের
জন্য মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকেও তাকে আর্থিক সহযোগিতা ও মৌ বাক্স বিতরণ করা হয়েছিল। তার এই মৌ বাক্স ভেঙ্গে ফেলায় সে আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তিনি আরো জানান একটি মৌ বাক্সে ১টা রানী মৌ মাছি থাকে সে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার কর্মী মাছিকে নিয়ন্ত্রন করে মৌ বাক্সে রাখে। ১৬টি বাক্সের প্রতিটি রানী মাছিকেই মেরে ফেলা হয়েছে
বিধায় সকল মাছি উড়ে গেছে। তিনি আরো বলেন মৌ মাছি একটা জাতীয় সম্পদ। এটা ভেঙ্গেফেলাটা উচিত হয়নি। মৌ চাষী মজনু কাজী জানান সরকার যদি তার পাশে না দাড়ায় তাহলে তার পক্ষে আর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌ মাছি চাষ করা হবে না। তিনি যে এসব করেছে তার শাস্থি দাবি করেছেন। এ খবর লেখা পর্যন্ত তিনি দোষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ লেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে যানিয়েছেন।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET