২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




রামগঞ্জের হাঁটবাজার : ৬০ টাকার নিছে কোন তরকারী নেই বাজারে!!

আউয়াল হোসেন পাটওয়ারী, রামগঞ্জ,লক্ষীপুর করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ২৫ ২০২১, ১৬:০২ | 954 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

বর্ষা শেষে শীতের আগমনী বার্তার পাশাপাশি বাজারে শীতকালিন শাকসব্জির সমারোহ দেখা দিলেও রামগঞ্জ উপজেলার হাঁটবাজারগুলোতে তা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। বাজারগুলোতে ৬০ টাকার নিছে কোন শাক-সব্জি পাওয়া যাচ্ছে না। গত বৃহস্পতিবার ও আজ রবিবার সাপ্তাহিক হাঁটের দিনে রামগঞ্জ ও সোনাপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।
মোঃ বাহার উদ্দিন ও ইউসুফ মিয়াসহ কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, রামগঞ্জ কাঁচাবাজারে সীম ১৪০টাকা, টমেটো ১৪০টাকা, মুলা ৬০টাকা, কাঁচামরিছ ১৬০-২০০টাকা, ধনেপাতা ১শ গ্রাম ২০টাকা, কচুর লতি ৬০টাকা, শশা ৪০-৬০টাকা, ঝিঙ্গা-চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর চড়া ৭০টাকা, লাল শাক ৬০টাকা, মুলা শাক প্রতি মুঠি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তারা আরো জানান, গত বছর এসময়ে টমেটো ছিলো ৮০/৯০ টাকা কেজি, লাল শাক, মুলা শাক ৩০টাকা কেজি ও সীমের কেজি ছিলো ৫০-৬০টাকা। অথছ এবার প্রতিটি তরকারীর দাম গতবারের তুলনায় দ্বিগুন। বাজারের মাছের দামও বেশি। আধাকেজি ওজনের রুই মাছে ২৬০টাকা থেকে ২৮০ টাকা। কুঁচো চিংড়ির কেজি ৫০০ টাকা। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০-২২০টাকা, লেয়ার মুরগি যা গত বছরের এসময়ে ছিলো ১৮০টাকা তা বর্তমানে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। গরুর গোস্ত ৬৫০ টাকা। একই অবস্থা সোনাপুর বাজারেও।
তরকারী বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, গত বছরের তুলনায় প্রতিটি মালের দাম দ্বিগুন। পাইকারী বাজারেও দাম বেশি। আমাদেরই লজ্জা লাগে এক কেজি লাল শাকের দাম ৭০টাকা চাইতে। বেশি দাম দিয়ে কেনার কারনে বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে তিনি শীতের শুরুতে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশাস দেন।
রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, করোনাকালীন সময়ে তরিতরকারীর দাম কিছুটা কম থাকলেও বর্তমানে প্রতিটি তরকারীই দ্বিগুন দামে কিনতে হচ্ছে। শহরের উপর বাসা ভাড়া নিয়ে থাকি, এ শহরে পানি কিনেও খেতে হয়। খেতে হবেই। বাধ্য হয়ে ধারকর্জ করে চলতে হচ্ছে। কার কাছে বলবো। কিছুই বলার নেই।
ছেরাজুল হক নামের এক কৃষক জানান, শীতের শুরুতে এ এলাকার কৃষকরা লাল শাক, মুলা শাক ও সীমের চাষাবাদ করে আসলেও গত ১৫দিন যাবত টানা বৃষ্টিতে অধিকাংশ জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। পঁচে গেছে তরিতরকারীর গাছের গোঁড়া। তিনি দাবী করেন, আগের মতো মানুষ এখন আরা চাষাবাদ করছেন না। ফসল ও আর্থিক ক্ষতির কারনে বেশিরভাগ মানুষ এখন চাষাবাদ ছেড়ে দিয়েছেন। বিকল্প হিসাবে অনেকেই অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
রামগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার বাজারে তরিতরকারী দামের বেশি স্বীকার করে বলেন, এসময় সাধারণত তরি-তরকারীর দাম কম থাকে। কিন্তু অস্বাভাবিক দাম সবকিছুর। আমাদের অত্র উপজেলায় লাল শাক ৮, লাউ ১০, ধনেপাতা ৫, কলমিশাক ১০, কচু ১৫, শশা ৫, বেগুন ৭ ও ধুন্দুল ১০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ রয়েছে। কিছু কিছু তরকারী বাজারে আসছেও। তবে আমদানীর উপর নির্ভর করে বাজারে তরকারীর দাম কম বা বেশি।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET