যশোরের কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের মুকুটহীন সম্রাট বাংলায় সনেট রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬ তম জন্মবার্ষিকী ও সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা ২৮ জানুয়ারী সমাপ্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধু মঞ্চে মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুৃল ইসলাম মিলন, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল ইসলাম, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব নুসরাত জাহান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন, দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের কেশবপুর শাখার সভাপতি শ্যামল সরকার, অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ –উজ-জামান খান, ডুমুরিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক রমেশ চন্দ্র মন্ডল, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীকে সাগরদাঁড়িতে সংষ্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটির নের্তৃবৃন্দ।
এর পর আলোকচিত্রি তাহেরুজ্জামান তাছুর সম্পাদিত মধুসূদন ও মধুমেলা স্মৃতি এ্যালবাম এর মোড়ক উন্মেচন করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন র্পায়ে অংশ গ্রহণকারি কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিােগিতায় বিজীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।
সমাপনি অনুষ্ঠানের ১ম পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন স্থানীয় সংগঠন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম, মনোজ ধীরাজ একাডেমী, রবীন্দ্র-নজরুল সাংস্কৃতিক পরিষদ,ভএনডিও সাংস্কৃতিক পরিষদ ও উদীচী । যশোরের মুক্তেশ্বেরী সাহিত্য সংসদ, অগ্নিবীণনা , কিংশুক, স্বরগম, বাইলিয়ানা, মা নৃত্যালয় ।
আলোচনা অনুষ্ঠানের শেষে শিল্পী দেবলীনা’র সুরের একক সংগীতা অনুষ্ঠান। এরপর লোকসংগীত, মাগুরার জেলার আড়পাড়ার মিলন নাট্র সংস্থা’র যাত্রাপালা “শশী বাবুর সংসার” অনুষ্ঠিত হয়।









