সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ক্রয় করা জমি জোরপূর্বক দখল করে বেড়া দেওয়াসহ হত্যার হুমকি ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শামীমা খাতুন (৬৬) নামে এক নারী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে মুকুন্দগাতী পৌরসভা অফিসসংলগ্ন নিজ বাসভবনে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শামীমা খাতুন অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে মুকুন্দগাতী এলাকায় ক্রয় করা ১১ শতক জমি ভোগদখল করে আসছেন তিনি। জমির বৈধ দলিল, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের কাগজপত্রও রয়েছে। তবে প্রতিবেশী মো. হাফিজুল ইসলামসহ কয়েকজন জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে চাঁদা দাবি করেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে জমিতে স্থাপনা নির্মাণে বাধা দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ২৮ অক্টোবর সকালে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম নিয়ে তাঁর জমিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক বেড়া দেন। বাধা দিতে গেলে তাঁকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তাঁর বাম হাত গুরুতর জখম হয়। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা এক ভাগিনাকেও লোহার সাবল দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয়। এ সময় তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শামীমা খাতুন জানান, ১৯৮৬ সালে দুটি দলিলের মাধ্যমে নিজের ও মেয়ের নামে ১৩ শতক জমি কেনেন তিনি। পরে মেয়ের অংশও নিজের নামে হস্তান্তর নেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণের পর অবশিষ্ট ১১ শতক জমি ভোগদখলে রয়েছে।
এ ঘটনায় হাফিজুল ইসলামসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বেলকুচি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।









