কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে আর্জিনার বাড়ির একটি রুম হতে শুক্রবার গভীর রাতে গলাই ফাঁস নিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাবনার আসান(৪২) নামের এক হাঁস রাখালের লাশ মিরপুর থানার থানার পুলিশ উদ্ধার করেন। নিহত’র বাড়ি পাবনা জেলার আমিনপুর থানার তেলিপাড়া ২৪ মাইল এলাকার মৃত আব্দুল ওহাবের পুত্র আসান। হাঁস মালিক কামরুজ্জামানের বাড়ি একই এলাকার ইয়াদ আলী শেখ’র পুত্র তিনি বলেন আমার খামার থেকে ১৪০০ শত হাঁস নিয়ে তারা এই মিরপুর উপজেলার বিভিন্ন মাঠে খাওয়াতেন এবং তারা আমার অতি বিস্বাস্ত লোক ছিল। তাদের তিন জনের ফোন হঠাৎ করেই বন্ধু পাওয়াতে, বেশ ক’দিনর যাবৎ কোন যোগাযোগ না হলে আসানসহ ৩ জনের নামে চরি মামলা করা হয় মিরপুর থানার, মামলা দায়ের করেন মামলা নং ৫, তাং ১১-০৯-২০২০। পুলিশ মামলার প্রেক্ষিতে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ১২০০ হাঁসের খোজ পাওয়া যায় তারা ৩ জন একত্রে হয়ে চুরি করে বিক্রয় করে দিয়েছে মিরপুর গ্রামের আলাউদ্দিন (সিআই)’র পুত্র শামিমের খামারে সব হাঁস বিক্রয় করে ষ্টাম্প করে টাকা নিয়ে গেছে। আমার ১২০০ শত হাঁস ২৮০/= হিসাবে বিক্রয় করেন-৩ তিন লক্ষ ৩৬ ছত্রিশ হাজার টাকায় অবশ্য ৩ তিন হাজার টাকা কম দিয়ে তিন লক্ষ তেত্রিশ হাজার টাকায় বিক্রয় করে গাঁ ঢাকা দেয়। পুলিশ ঝুটিকা অভিযান পরিচালনা করেন এবং চোরকে গ্রেফতার করতে যেয়ে চোরের লাশ নিয়ে আসতে হলো। কারণ তথ্য মোতাবেক মিরপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড খন্দকবাড়িয়ার আশ্রয়ন প্রকল্পের পাশে ক্যানের ধারে পৌর কর্মচারী আর্জিনার বাড়িতে পুলিশ আসামী আটক করতে যেয়ে ঘরের মধ্যে প্রধান আসামী আসানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন। তারা গত ৮-০৯-২০২০ – পরিচয় পত্র প্রদর্শন করেন এবং ২ মাসের অতিরিক্ত ভাড়া মোট ৪ ০০০/= টাকা প্রদান করে ভাড়া নিয়ে অবস্থান করতো তারা । পুলিশের তাদেরও স্বীকাক্তি অনুযায়ী ১১/০৯/২০২০ রাতে তার লাশ পাওয়া য়ায় ফানের সাথে। উপস্থিত সকলের ধারনা চুরি হাঁস বিক্রয়ের কারণে সম্বব্য বিবেকের তাড়াই আত্নহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানার ইন্সেপেক্টর তদন্ত সঞ্জয় কুমার কুন্ড, এসআই পার্থ শেখর, এস আই মেহেদী, এএসআই আবু তাহেরসহ পুলিশের অন্যান্য অফিসার বৃন্দ। এ ব্যাপাওে মিরপুর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিশি- ১২-০৯-২০২০।









