নেতার দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হয় সমাজ রাষ্ট্র এবং জাতি। নেতার নেতৃত্বের মান যত উন্নত রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রা তত দৃঢ় হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমানে ব্যক্তিস্বার্থ, ক্ষমতালিপ্সা ও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় মানবিকতার জায়গায় স্থান করে নিয়েছে লোভ, হিংসা ও বিভাজন। সাধারণ মানুষের চাওয়া সৎ সাহসী ও মানবিক নেতা যিনি মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াবেন।
ডক্টর কাজী মনির – যিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট -৪ (মোড়েলগঞ্জ শরণখোলা) সংসদীয় আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী। ১৩ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সামনে থেকে দেখে তার বুকে জ্বলে ওঠা মশাল যা এখনো নিভে যায়নি। যিনি বিগত ১৮ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতাকর্মীদের সুখে দুখে পাশে রয়েছেন। দুর্বল ও নিপীড়িতদের সহায়তা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলে ছাত্রদলের নেতা হিসেবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সম্মুখসারীর একজন যোদ্ধা তিনি। ওয়ান ইলেভেন থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ডক্টর কাজী মনির মার্চ ফর ডেমোক্রেসিতে অংশগ্রহণ কারা কালীন সময়ে গুলিবিদ্ধ হন।
জাতীয়তাবাদী তাপী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডক্টর কাজী মনির নিজের নির্বাচনী এলাকা শরণখোলা থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কালীন গ্রেফতার হন। বারবার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার বিরোধী বক্তব্য ও মন্তব্য করে নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাবরণ করেন। নেওয়া হয় রিমান্ডে। অসংখ্য মামলার আসামি ডক্টর কাজী মনির গুম হন একবার। ভয়ে যখন নেতাকর্মীরা এলাকায় যেতে কিংবা থাকতে পারেন নাই তখন তিনি নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, এলাকায় গিয়ে তাদের সাহস যুগিয়েছেন, তাদের মাঝে সেলাই মেশিন গরু ছাগল বিতরণ, খাদ্য সহায়তা, ঘর নির্মাণসহ নগদ অর্থ প্রদান করেছেন তাদের। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের মামলায় জামিন করিয়েছেন এবং তাদের পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের বৃত্তি এবং অসুস্থদের সহায়তার জন্য ১২ মাস ই তার দুহাত উন্মুক্ত রয়েছে।
ছাত্র জনতার আন্দোলনে স্বাধীন হওয়া মোড়েলগঞ্জ শরণখোলা এলাকায় বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি বিভিন্নভাবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছেন। দলের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টি করছেন। তাদের চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন ডক্টর কাজী মনির। ঘুষ দুর্নীতি সন্ত্রাস চাঁদাবাজি দখলদারিত্ব এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন তিনি। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ এবং জাতীয়তাবাদী দলের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ডক্টর কাজি মনির।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত ডঃ কাজী মনির আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলের মধ্যে বিভেসৃষ্টিকারী, দলের নাম বিক্রি করে সুবিধা গ্রহণকারী এবং নেতাকর্মীদের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তিদের হাতে ধানের শীষ নয়। কর্মীবান্ধব জননেতা ডক্টর কাজী মনিরের হাতেই ধানের শীষের প্রতীক দেখতে চান মোড়েলগঞ্জ শরণখোলা সংসদীয় আসনের সাধারণ জনগণ এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
Please follow and like us:









