, , ,

শিরোনামঃ-




শার্শার নীলকুঠি পার্কে চলছে অবাধে মেলামেশা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : জুন ০৫ ২০১৮, ০০:২৯ | 1230 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ- শার্শার নীলকুঠি পার্কে চলছে  অবৈধ ভাবে দেহ ব্যবসা। রমজান মাসে ও প্রকাশ্যে দিবালোকে এ দেহ ব্যবসা চললে ও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই দেখার। নির্ভৃত পল্লী এ পার্কে বিভিন্ন জায়গা থেকে উঠতি বয়সের মেয়ে এবং কিছু ভাসমান পতিতা  এনে পার্কের মালিক ও তার কর্মচারীরা দেহ ব্যবসা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
স্থানীয় লোকের অভিযোগ প্রতিদিন যশোর নাভারন ছিকরগাছা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা, বেনাপোল , শার্শা  সহ দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে আসা যৌন কর্মী আবার অনেকের গার্ল ফ্রেন্ডকে সাথে নিয়ে শার্শার উলাশী মিলনের নীলকুঠি পার্কে অবৈধ মেলামেশা করে চলে যাচ্ছে। এলাকার উঠতি বয়সের স্কুল কলেজ গামি ছেলে মেয়েরা ও ঝুকে পড়ছে এ দেহ ব্যবসায়।
শনিবার নীলকুটি পার্কের গেটে বসে থাকা ভ্যান চালক বজলেয়ার রহমান বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা দেহব্যবসায়িরা উলশী বাস থেকে নেমে অনেক আমাদের  ভ্যানে বোরখা পরে এখানে আসে। এক দুই ঘন্টা পরে এরা আবার চলে যায়। এখানে পার্কের ভিতর  ছোট ছোট করে ঘর করা আছে সেখানে খরিদ্দার নিয়ে এরা প্রবেশ করে তারপর তাদের কাজ শেষে এরা চলে যায়।
পার্কের মালিক মিলনের কর্মচারীদের  সাথে আলাপ কালে তারা জানায় আমরা  যারা মেয়ে নিয়ে আসে তাদের নিকট থেকে ঘর ভাড়া ঘন্টায় ১ হাাজার টাকা নেই। আার যারা আমাদের মাধ্যমে মেয়ে নেয় তাদের নিকট থেকে আমরা মেয়ে ভেদে দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা নেই। পার্কের ভিতর দেখা যায় অনেক স্কুল কলেজ পড়–য়া মেয়ে ও ছেলেরা ঘরের আসায় লাইন দিয়ে বসে আছে।
পার্কের জনৈক কর্মচারী বলে এখানে নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে। দেখেন না মেয়ে ছেলেরা লাইন দিয়ে বসে আছে আমরা তাদের ঘর দিতে পারছি না।
সারাদিন এ পার্কের ভিতর সকাল থেকে রাত অবধি চলে দেহ ব্যবসা। পার্কের মালিক মিলন হোসেনকে খোজাখুজি করে পাওয়া যায়নি। তাদের কর্মচারীরা বলে আপনাদের মিলন ভাইকে কি প্রয়োজন। আমরা এখানে সকল ধরনের ব্যবস্থা করে থাকি। এরপর মিলন আমাদের পরিচিত লোক বললে তারা ফোন দেয় কিন্তু মিলন ফোন রিসিভ করে নাই। কর্মচারীদের যখন সাংবাদিক পরিচয় দেই তখন তারা বলে আপনারা বসেন আমরা মিলন ভাইকে ডেকে আনছি। আর আপনারা বোঝেনতো পার্ক হচ্ছে একটি বিনোদনের জায়গা । এখানে কিছু এদিক সেদিক কাজ না হলে পার্ক চলবে কি করে।
বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপুকুর গ্রামের সেলিম হোসেন ও কবির হোসেন বলেন, শার্শার উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েরা এবয় যুব সমাজ  খারাপ হয়ে যাচ্ছে একমাত্র এই পাকর্রে জন্য। এখানে পরিবার পরিজন নিয়ে বিনোদনের জন্য যাওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না। কারন এখানে গেলে যে দৃশ্য সামনের উপর দেখা যায় তাতে সাধরন মানুষ সব কিছু উপলব্দি করতে পারে এখানে কি হয়।
এলাকার একটি সুত্র বলে একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার ছত্র ছায়ায় মিলন এসব অবৈধ কাজ কর্ম করে।
এ ব্যাপাওে শার্শার বাগআঁচাড়া ফাড়ির ইনচার্জ হুমায়ুন কবির এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, উলাশির ব্যাপাওে আমি কিছু বলতে পারব না। এটা শার্শা থানার ভিতর সেখানে কথা বলেন। শার্শার ওসি কে ফোনে পাওয়া যায়নি।
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET