, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • কলারোয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতি চেয়ারম্যান শেখ ইমরানের উপর সন্ত্রাসী হামলা ! ৫জনের নামে থানায় এজাহার দায়ের!




কলারোয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতি চেয়ারম্যান শেখ ইমরানের উপর সন্ত্রাসী হামলা ! ৫জনের নামে থানায় এজাহার দায়ের!

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মে ২৭ ২০১৮, ১০:১৮ | 869 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) থেকেঃ- সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ৩নং কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন (২৮) ও তার সহযোগী উজ্জ্বল হোসেনের উপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে।
ঘটনাটি শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পৌরসদরের কাছারী মসজিদের সামনে ঘটে।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনের সঙ্গে থাকা ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল হোসেন বাঁধা দিতে আসলে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর হামলা চালিয়ে মারাত্বক জখম করেন।
বর্তমানে আহত দু’ই ছাত্রলীগ নেতা সরকারী হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে সন্ত্রাসী হামলায় ঘটনায় আহত ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখসহ অঙ্গত ৪/৫ জনকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এজাহারের বিবরণে জানা যায়, আসামীরা জালালাবাদ গ্রামের ছোট খোকার ছেলে আবু সাঈদ (২৭), একই গ্রামের শেখ মোসলেম আহম্মেদের ছেলে শেখ মারুফ আহম্মেদ জনি (২৬), ও কাজী নজুর ছেলে ইকবল হোসেন (২৫), ছলিমপুর গ্রামের অহিদ দালালের ছেলে শাকিল খান জর্জ (২৪ স্থায়ী ঠিকানা হাসপাতাল রোড), খোরদো বাটরা গ্রামের অঙ্গত পিতার ছেলে মিলন হোসেন (২৩) এর সাথে আলাইপুর গ্রামের শেখ আকরাম হোসেনের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও কয়লা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন এবং পৌরসদরের মির্জাপুর গ্রামের শাহাজান গাজীর ছেলে ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল হোসেনের সাথে নেশাখোর আসামীদের মাদক ব্যবসার মনোমালিন্যতা ও পূর্বে বিরোধ ছিল।
আসামীরা নেশাখোর ও মাদক ব্যবসায়ী বলে কলারোয়া আপামর জনসাধারণের কাছে তাহার প্রমান আছে।
আসামীরা বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করে থাকেন এবং তাদের নামে থানায় একাধিক মামলা আছে।
আসামীরা মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে চাই বলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ ইমরান হোসেনের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বঘোষিত মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স এবং আসামীরা মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী বলে চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন মাদক ব্যবসায়ীদের প্রত্যাখান করলে আসামীরা পূর্বে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র- সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অবৈধ জনতাবদ্ধে হাতে লাঠি সোটা নিয়ে ইং ২৬/৫/১৮ তারিখ আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে চেয়ারম্যানসহ সঙ্গে থাকা ছাত্রনেতারা কাছারী মসজিদের সামনে অবস্থান করলে আসামী আকস্মিক হাজির হওয়া চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেনকে এ্যালোপাতারী ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফোলা জখম করেন।
১নং আসামী আবু সাঈদ হত্যার উদ্দ্যেশ্যে তাহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে চেয়ারম্যান শেখ ইমরানকে মাথায় আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত ও গুরুত্বর হাড় কাটা জখম করেন যাহা ৪টা সেলাইযুক্ত।
৪ নং আসামী শাকিল খান জর্জ চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা সঙ্গীয় উজ্জ্বল হোসেন মারপিট ঠেকাতে আসলে তাকে বেধরড় পিটিয়ে আহত করে গলাই থাকা ১ভরী ওজনের সোনার চেইন আনুমানিক মূল্য ৪৫ হাজার টাকা কেড়ে নেয় এবং মাথায় আঘাত করে মাথা ফাঁটিয়ে দেয় যা কয়েকটা সেলাইযুক্ত।
চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করতে আসা সঙ্গে থাকা আলাইপুর গ্রামের শেখ শাহিনুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসানকে বেপড়য়া মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা জখম করাকালে তার পকেটে থাকা খৈল- ভূষি কেনার নগদ ৫০হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে চেয়ারম্যানের ডাক- চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এসে আহতদের উদ্ধার করাকালে আসামীরা খুন, জখমের হুমকী দিয়ে ঘটনাস্থান ত্যাগ করেন। কতক স্বাক্ষী আলাইপুর গ্রামের শেখ আবু ফজলের ছেলে শেখ সাগর হোসেন (২৭), একই গ্রামের শেখ আব্দুল আওয়ালের ছেলে নূরুল আম্বিয়া, শ্রীপতিপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে ইমতিয়াজ হোসেনের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। বর্তমানে আহতদের অবস্থা আশংকাজনক।
ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ ইমরান হোসেনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জোর দাবী করেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।
এদিকে চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরকৃত এজাহারের সত্যতা স্বীকার করে থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার দেবনাথ জানান, সন্ত্রাসীরা কোন দলের নয়। সন্ত্রাসী যেই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং আটকের অভিযান অব্যহত রয়েছে।
সন্ত্রাসীর অভিযোগে অভিযুক্ত আসামীদের মধ্য শেখ মারুফ আহম্মেদ জনির সাথে মোবাইল ফোনে ০১৭১২- ৮৪৪৬৭১ এই নাম্বারে কথা হলে তিনি বলেন মারমারী হয়েছে এটা সত্য। তবে তার উপর আক্রমন করা হয়েছে। এখন ব্যস্থ আছি পরে কথা বলবো।
সন্ত্রাসীর অভিযোগে আরেক অভিযুক্ত আসামী আবু সাঈদের সাথে মোবাইল ফোনে ০১৭১১-৭৩০৯৮৮ নাম্বারে কথা হলে তিনি বলেন এখন ব্যস্থ আছি পরে কথা বলে নিয়েন।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET