মোঃ ইউসুফ আলী, আটোয়ারী(পঞ্চগড়) প্রতিনিধি ঃ “ মাছ চাষে গড়বো দেশ- বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” শ্লোগান নিয়ে এবং “ মৎস্য সেক্টরের সমৃদ্ধি, সুনীল অর্থনীতির অগ্রগতি” প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে মৎস্য সপ্তাহ শুরু হয়েছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে সপ্তাহের শুরুতেই ১৭ জুলাই বুধবার বিকেলে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে মৎস্য কর্মকর্তার অফিস কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ শামসুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পুর্ণ।মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ২০১৬- ১৭ অর্থ বছরে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন। মাছ উৎপাদন হয়েছে ৪১ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন। ১৯৮৩ – ৮৪ অর্থ বছরে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ৭ দশমিক ৫৪ লাখ মেট্রিক টন। ৩৩ বছরের ব্যবধানে ২০১৬ – ১৭ অর্থ বছরে এই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩১ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন।অর্থাৎ এই সময়ের ব্যবধানে
মোট মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ গুণ। মৎস্য অফিসার আরো বলেন,প্রাকৃতিক উৎস্যের মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে ৩য় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। ২০১৮ খ্রিঃ প্রকাশিত জাতি সংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। বর্তমানে চীন, ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। এতেআরো বলা হয়েছে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম ও প্রাকৃতিক এবং চাষের মাছ মিলিয়ে বিশ্বে চতুর্থ। সারাবিশ্বে প্রাকৃতিক উৎস্য থেকে মোট ৯০ লাখ টন মাছ উৎপাদন হয় যেখানে বাংলা দেশে উৎপাদন হয় ১০ লাখ টন। মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বিপন্ন প্রায় মাছের প্রজাতির সংরক্ষণ, অবাধ প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে সার্বিক মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি হয়েছে। অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার ফলে বিলুপ্ত প্রায় এবং বিপন্ন ও দুর্লভ প্রজাতির মাছ পুনরাবিভার্ব ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি
সপ্তাহব্যাপী কর্মসুচিতে সংবাদকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।









