১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • হরেক-রকম
  • কনকনে শীতে বরিশালে শীতের আমেজে জমে উঠেছে পিঠার ভাসমান দোকান




কনকনে শীতে বরিশালে শীতের আমেজে জমে উঠেছে পিঠার ভাসমান দোকান

খোরশেদ আলম চৌধুরী, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ২৪ ২০১৯, ১৬:৪৫ | 932 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

বরিশালে শীত যতই বাড়ছে ততই বাড়ছে শীতের পিঠাপুলির কদর। শৈত্যপ্রবাহের ঠান্ডায় একটু হলেও মন ও শরীরকে চাঙ্গা করতে মানুষ স্বাদ নিচ্ছেন এই শীতের পিঠার।

গ্রামের পাশাপাশি নগরীরবাসীও পিছিয়ে নেই পিঠা খাওয়ার এই প্রতিযোগিতায়। শহরের অলি-গলির মুখে ও রাস্তার পাশে পিঠার পশরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন উৎফুল্ল ব্যবসায়ীরাও।

তাদেরও অপেক্ষা থাকে এই মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়ার। এসময় দেখা যায় মৌসুমী পিঠা ব্যবসায়ীদের সরব উপস্থিতি।

নগরীর সদর রোডের পিঠা ব্যবসায়ীদের কাছে দেখা গেছে সাঁজের পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, ভাপা পিঠা, পুলি পিঠাসহ বিভিন্ন ধরনের পিঠার সমারোহ। বিবির পুকুরপাড়ের ভ্রাম্যমাণ পিঠা বিক্রেতাদেরও এ সময়টা কাটছে বেশ ব্যস্ততায়।

শীতের দিনে ভাপা পিঠার আসর বসবে তাই তো শীতের শুরুতেই বরিশাল নগরের বিভিন্ন ফুটপাতে জমে উঠেছে ভাপা পিঠার ভাসমান দোকান গুলো। বিকেল থেকে নগরের মোড়ে মোড়ে পিঠা বিক্রি হলেও বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় এই চিতই ও ভাপা পিঠার চাহিদা অনেক বেশি থাকে। প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে পিঠা বিক্রি ও খাওয়ার পালা।

কারণ শীতের সকালে বা সন্ধ্যায় গরম গরম ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠার যে স্বাদ সেটা অন্য সময় পাওয়া যায় না। আবার চিতই পিঠার সাথে ধনিয়া পাতা, মরিচ, সরষে, শুঁটকি বাটা দিয়েও পিঠা বিক্রি করে। এসব দোকানে প্রতি পিস ভাপা ও চিতই পিঠা ৫ টাকা থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০ টাকার পিঠা স্পেশাল পিঠা। আর শীতে যত রকমেরই পিঠা তৈরি হোক না কেনো ভাপা পিঠার সাথে অন্য কোন পিঠার তুলনাই হয় না। এই পিঠা বিক্রি করেই শীতের সময় অনেকে সংসার চালান।

দক্ষিনাঞ্চলের গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে না হলেও শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে দোকান নিয়ে বসে পড়েছেন মৌসুমী পিঠা ব্যবসায়ীরা। অনেকেই মৌসুমী এই ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। তেমন একটা পুঁজি লাগে না বলে সহজেই এ ব্যবসা শুরু করেন অনেকেই। এসব দোকানগুলোতে দেখা যায় পিঠা পাগল লোকজনদের উপচে পড়া ভিড়। বিক্রেতারাও আনন্দের সাথে ভাপা পিঠা বিক্রি করছেন। নগরের মহাসিন মার্কেট, চকের পোল,বাজার রোড, শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চক্রে, লঞ্চঘাট, সদর রোড,জেলখানার মোড় , রূপাতলী বাস র্টামিনাল , বিএম কলেজের সামনে, জিলা স্কুলসহ বরিশাল নগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা,অলিগলির মুখে এই পিঠার দোকান দেখা যায়।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পিঠা বিক্রেতা আলমের সাথে কথা বলে জানা যায়, মৌসুমি এই পিঠার প্রতি অনেকের বেশ আগ্রহও দেখা যায়। বছরের সাময়িক সময়ের এই পিঠার বাজার এখন থেকেই জমে উঠেছে, বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় এই পিঠার চাহিদা বেশি থাকে বলে জানান বিক্রেতারা। চকের পোল এলাকার পিঠা বিক্রেতা আলী জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রয়েছে ক্রেতার ভিড়। প্রতিনিয়ত ক্রেতার ভিড় বেড়েই চলেছে। এতে আয় রোজ-গারও হচ্ছে ভালোই। তিনি আরও জানান, যেহেতু ভাপা পিঠার ব্যবসা শীতকালে ছাড়া অন্য কোন ঋতুতে হয় না তাই এই সময়টাই এই ব্যাবসার জন্য উত্তম সময়। ক্রেতা মামুনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, শীত মানেই পিঠা খাওয়ার ধুম। তবে সেই পিঠা যদি হয় ভাপা পিঠা তাহলে তো কোন কথাই নেই। নিজেকে চাঙ্গা করার জন্য দিনের শেষে বন্ধুদের নিয়ে সন্ধ্যায় আসি ভাপা পিঠা খেতে। এতে করে সবার মাঝে ভালো লাগা কাজ করে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET