রাজশাহী জেলার কাটাখালী পৌরসভার হিসাব রক্ষক মো: জহিরুল ইসলাম গেস্ট হাউজে একটি কক্ষে এক নারীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে অনৈতিক কাজের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
৫৬ সেকেন্ডের এই ভিডিও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার,
ইমো,হোয়াটসঅ্যাপ সহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় রাজশাহী জুড়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। পৌরসভার একজন কর্মকর্তার এমন কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা,নিন্দা ও বিচার দাবি করেন সচেতন মহল।
জানা যায়, মো: জহিরুল ইসলাম (হিসাব রক্ষক)
কাটাখালি পৌরসভার গেস্ট হাউজের রুমের ভেতর এক যুবতির সাথে অঙ্গরঙ্গ মুহুর্ত লিপ্ত হন। যা গোপনে মোবাইলে ধারণ করেন তিনি নিজেই।মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।ভাইরাল হয় জহিরুল ইসলামের এই কেলেঙ্কারির ভিডিও।
অনুসন্ধানে জানা যায় তিনি বিবাহিত এবং তার একটি সন্তানও আছে।তার গ্রামের বাসা রাজশাহী জেলার গোদাগাড়িতে।
তবে,ভিডিও ধারণ করা ক্লিপের সাথে জহিরুল ইসলামের স্ত্রীর কোন মিল নেই। মেয়েটি অন্যকেউ। তার প্রমানও মিলেছে। বিষয়টি একাধিক মাধ্যম থেকে নিশ্চিতও হওয়া গেছে।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,জহিরুল ইসলামের স্ত্রী রয়েছেন। কাটাখালি পৌরসভার গেস্টহাউজের রুমে থাকা মেয়েটির খোঁজ পেয়েছে গণমাধ্যমকর্মীরা।একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন কর্মকান্ডে জেলা জুড়ে চলছে আলোচনা ও সমলোচনা ঝড়।
এদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অন্তরঙ্গ পরিবেশ। আনন্দ-ফুর্তির শব্দ শোনা যাচ্ছে।ভালোভাবে তোমার সঙ্গে কথাও বলা যায় না। ভিডিওতে হাসি-তামাশা করে ওই নারী কাপড় পড়তে দেখা যায়। পাশাপাশি ভিডিওটি অনেক কিছু দেখা যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মো: জহিরুল ইসলাম বিয়ষটি এড়িয়ে যান।পরে তিনি বলেন বিষয়টি ২০২২ সালের ঘটনা।বিষয়টি সবাই জানে। এবং আমরা এটা নিজে নিজে মীমাংসা করে ফেলেছি। আপনাদের যা ইচ্ছা করে নিন!
সাধারণ জনগনের প্রশ্ন পৌরসভার গেস্ট হাউজের রুম জলসাঘর হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এরকম অপ্রীতিকর ঘটনার পরেও কিভাবে নিজেরাই মীমাংসা করে পৌরসভার সকল কর্মকর্তারা এই জলসাঘর অন্তরঙ্গ মুহূর্তে মেতে উঠে
প্রশ্ন সাধারণ জনগণের!
বিষয়ে নিয়ে আরেকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ‘জহিরুল ইসলামের এই বিষয়টি আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। তার ব্যক্তিগত কোন দোষ বা দায়ভার কাটাখালি পৌরসভা নিবে না। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া দরকার।
এবিষয়ে জানতে চাইলে কাটাখালী পৌরসভার নির্বাহী অফিসার মো: সিরাজুম মুমীন বলেন,এই বিষয়ে আমি কিছুই বলবো না। এটা তার ব্যক্তিগত বেপার।
এ বিষয় জানতে চাইলে কাটাখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: আব্দুল মতিন বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই থানাতে কেউ কোন অভিযোগও দেয় নি।কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে জানতে পবা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি মো: জাহিদ হাসান বলেন,এই বিষয়ে কেউ আমাদের কে জানান নি।আমার জানা নেই। একজন কর্মকর্তা পৌরসভায় এই ধরনেন কাজ করতে পারে না। কেউ করে থাকলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
দোষ পেলে বিধি মোতাবেক এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে?
Please follow and like us:










