, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • করোনা-ভাইরাস
  • কুষ্টিয়ায় স্ত্রী নিচ্ছেন বিধবা ভাতা আবার স্বামীও পাচ্ছেন বয়স্ক ভাতা !




কুষ্টিয়ায় স্ত্রী নিচ্ছেন বিধবা ভাতা আবার স্বামীও পাচ্ছেন বয়স্ক ভাতা !

অর্পণ মাহমুদ, জেলা করেসপন্ডেন্ট ,কুষ্টিয়া।

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ২৩ ২০২০, ১৬:০০ | 994 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

 কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিনারায়নপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের (পূর্ব আব্দালপুর) এলাকার ছলিম উদ্দিন শেখের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন প্রায় ১৩ বছর ধরে তুলছেন বিধবা ভাতার টাকা। তার কার্ডে উল্লেখ রয়েছে স্বামী মৃত ছালিম মন্ডল। এদিকে স্বামী পায় বয়স্ক ভাতা। সে ২০১৮ সাল থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করছে। তার বয়স্ক ভাতার কার্ডে নাম দেওয়া হয়েছে ছলিম উদ্দিন শেখ।

এদিকে আম্বিয়া খাতুন এর নিকট স্বামী জীবিত থাকতে আপনি কেমন করে বিধবা ভাতা কার্ড করিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর কে ২৫শ টাকা দিয়ে এই কার্ড করিয়েছি। তবে আমি প্রথমে জানতাম না যে আমাকে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছে। পরে ব্যাংকে টাকা তুলতে গিয়ে বুঝলাম যে আমাকে বয়স্ক ভাতা না, বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছে। আর ২০১৮ সালে আমার স্বামীকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিয়েছে। আম্বিয়া খাতুন এর বহি নং ১৮৩৭।

এদিকে ছলিম উদ্দিন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান টাকা দিয়ে কার্ড করা হয়েছে। আমি অসুস্থ তাই আমাকে এই কার্ড করে দিয়েছে। প্রথমে আমি জানতাম না যে আমার স্ত্রীকে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছে। ছলিম উদ্দিন এর বয়স্ক ভাতা বই নং১৮১৬, হিসাব নং ৩০১০৬০১০১০১৫৯।

এছাড়াও হরিনারায়নপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের (পূর্ব আব্দালপুর) এর মহির উদ্দীনের স্ত্রী মনোরা খাতুন তার বয়স্ক ভাতা কার্ডে বয়স দেওয়া আছে ২৩/০৩/১৯৪০সাল। কিন্তু তার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের বয়স দেওয়া আছে ০১/০১/১৯৬২ সাল। ভাতার কার্ডে নিজের নাম দেওয়া আছে মনোয়ারা নেছা। বই নং ৫৭১৪। তিনি ভাতা তুলছেন ২০০৭ সাল থেকে।

হরিনারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মন্ডল এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেই সময় আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এবিষয়ে কিছু আমার জানা নেই। আপনি একটু উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সমাজসেবা অফিসার আবু রায়হান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই ধরণের যে কয়জন আমি যোগদানের পর পেয়েছি তাদের সব কার্ড বাতিল করে দিয়েছি। আম্বিয়ার বিষয় আমার জানা ছিল না আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এবিষয়ে আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি আরো জানান ১৯৯৭সালে থেকে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা দেওয়া শুরু হয়। এইবার প্রথম আমরা জনসম্মুখে সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনে তারপর ভাতার কার্ড প্রদান করেছি। এরপর থেকে কেউ তথ্য গোপন করে কোন কার্ড নেওয়ার সুযোগ পাবেনা।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET