যশোরের কেশবপুরে দলিত হারচয়েস প্রকল্পের আয়োজনে বাল্যবিবাহ পরিস্থিতি ও কৈশরকালীন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন সোমবার প্রকল্প কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে দলিত হারচয়েস প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক নাজমিন নাহার বলেন, মেয়েদের নিজের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিজে গ্রহণের সক্ষমতা তৈরীর মাধ্যমে বাল্যবিবাহের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে হারচয়েস প্রকল্প যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামে ১৯টি কিশোরী ক্লাব ও ৯টি কিশোর ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কর্ম এলাকায় বিভিন্ন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শিশু, কিশোর-কিশরী ও নারীদের সাথে সচেতনতা মূলক মতবিনিময়-সহ পাড়ায় পাড়ায় উঠান বৈঠক পরিচালনা করে আসছে। শিশু, কিশোর-কিশরী ও নারীদের নিয়ে বিভিন্ন ধরণের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা-সহ বিভিন্ন প্রকার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছে।
তাছাড়া কৈশরকালীন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সচতেন করার জন্য ম্যাডিকেল ক্যাম্প ও সচেতনতা কর্মসূচী এবং সরকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সাথে মতবিনিময়-সহ বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করছে।
উরোক্ত কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের ফলে প্রকল্প এলাকায় ৯টি ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামে বাল্যবিবাহ হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে এবং উপজেলা ও থানা প্রশাসনের মাধ্যেমে অসংখ্য বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তিনি সাংবাদিক-সহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে দলিত হারচয়েস প্রকল্পের ফাইন্যান্স এন্ড একাউন্টস অফিসার সঞ্জয় কুমার রায়-সহ ইউনিয়ন ফ্যাসালিটেটর বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।








