এম দুলাল আহাম্মেদ,গুইমারা(খাগড়াছড়ি)প্র্রতিনিধি:
শনিবার(২০অক্টোবর) বিকেলে গুইমারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাবেক হাফছড়ি ইউপি’র চেয়ারম্যান,বর্তমান খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর পিতা প্রয়াত মংসাজাই চৌধুরী স্মৃতি অনুর্ধ্ব-১৮ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’১৮খ্রিঃ এর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।২০টি দলকে পেছনে ফেলে ফাইনাল ম্যাচে গুইমারা বাজার একাদশের মুখোমুখী হয় গুইমারা আমতলীপাড়া একাদশ।প্রতিদন্ধী মুলক নৈপূণ্যময় ফুটবল খেলা প্রদর্শনে মুগ্ধ হন হাজার হাজার দর্শক।ফাইনাল ম্যাচে বাজার একাধশকে ৫-১গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় আমতলী পাড়া একাদশ।খেলা শেষে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি ও নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং রানার্সআপ দলকে ট্রফি ও নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন প্রধান অথিতি প্র্য়াাত মংসাজাই চৌধুরীর তথা গুইমারা’র গর্বিত সন্তান খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।
টুর্ণামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক সালাপ্রু মারমার সভাতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরনী অনুষ্টানে,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,১৪ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী সিন্দুকছড়ি সেনা জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব পিএসসি জি,গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া,গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা,হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরী,সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা।
গত ২৫সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উঠিয়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়নের অন্যতম সদস্য,গুইমারা-হাফছড়ি ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান,বর্তমান খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর পিতা প্রয়াত মংসাজাই চৌধুরী স্মৃতি অনুর্ধ্ব-১৮ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’১৮খ্রিঃ এর উদ্বোধন করেন কংজরী চৌধুরী।প্রয়াত মংসাজাই চৌধুরী বিগত ১৩জানুয়ারী ১৯৮৯ইং সালে তৎকালীন শান্তিবাহিনী কর্তৃক নিজ বাসভবন থেকে রাতের আধারে অপহৃত হওয়ার পর অদ্যবধি পর্যন্ত নিখোজ রয়েছেন।
উদ্বোধনের পর টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমি ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচ সুন্দর ও শান্তিপুর্নভাবে শেষ হয়েছে।এ টুর্নামেন্ট নিয়ে গুইমারাবাসীর মধ্যে অন্য রকম উৎসাহের আমেজ ছিল লক্ষ্যনীয়। দীর্ঘদিন পর হলেও শুরু হওয়া ফুটবল প্রেমী দর্শকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপুর্ন থাকে মাঠের চারপাশ।টুর্নামেন্টটি সুন্দর ভাবে পরিচালনা করার জন্য দক্ষ পরিচালনা কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক কমিটি ছিল। টুর্নামেন্টের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে যুব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির গুইমারা শাখা ইউনিট। প্রতিদিন খেলার মাঠে আহত খেলোয়াড়দের চিকিৎসা সহ বিভিন্ন কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তারা।
একান্ত আলাপকালে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান,নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলার সন্তানরা অন্যদের তুলনায় যাতে পিছিয়ে না পড়ে এবং জাতীয় ও আন্তজার্তিক মানের খেলোয়াড় সৃষ্টি করাতে এবং এলাকার যুব সমাজকে ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে নিতে পিতার নামে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করার মুল লক্ষ্য। এ টুনার্মেন্টটি সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলে তিনি পর্যায়ক্রমে ভলিবল ও ক্রিকেট টুনার্মেন্টের আয়োজনের প্রত্যাশা রয়েছে।









