২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

শিরোনামঃ-




গৌরনদীতে প্রশাসনের নাকের ডগায় জাটকা বিক্রি

মোহাম্মদ ইমন মিয়া, বাঙ্গরা,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মার্চ ০৫ ২০১৮, ১৯:৪৮ | 687 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

খোকন হাওলাদার,গৌরনদী(বরিশাল)প্রতিনিধি ||
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার টরকীবন্দরে প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রিহচ্ছে ,আট মাসের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গৌরনদীতে অবাধে জাটকা নিধন ও বিক্রি হচ্ছে উপজেলা প্রসাশনের নাকের ডগায়,মনে হয় জাটকা বিক্রি এখন বৈধ হয়েগেছে।

যারদরুন, জাটকারোধে সরকারী নেওয়া কর্মসূচি ভেস্তে যাওয়ার আসঙ্খাই বেশি।
জাটকা ধরা,বিক্রি পরিবহন কিছুই মানছেনা অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা,টরকীবন্দরের মাছ বাজার থেকে মাত্র দুইশত গজ দুরে পুলিশ ক্যাম্প অথছ দেখেও না দেখার ভান করছে পুলিশ।
জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় সরকার কঠোর আইন করেছে। প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা নিধন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়ের উপর সম্পূর্নভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। উলেখ্য মৎস্য গবেষনায় উল্লেখ করা হয়েছে, মা ইলিশ সাধারনত যে স্থানে ডিম ছাড়ে ঠিক ওই স্থানে একটানা ৬-৭ মাস বসবাস করে একটু পূর্নতা অর্জন করে।
এ সময়ে ছোট একটি বাচ্চা ইলিশ ১০ ইঞ্চি লম্বা পর্যন্ত পূর্ণতা পায়। এর পর সেখান থেকে গভীর সাগরে চলে যায়। যার ফলে ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ ইঞ্চি লম্বা পর্যন্ত ইলিশ ধরা সম্পূর্ন নিষেধ। দেশের মৎস্য সম্পদকে রক্ষা কল্পে এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। এ ছাড়াও মৎস্য সম্পদ ইলিশ রক্ষায় প্রতিবছর ঠিক এ সময়টা সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্ততিমূলক ও সচেতন মূলক কার্যক্রম শুরু হয়। পাশাপাশি জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান এবং তাদের পূর্নবাসনের জন্য আর্থিক সাহায্য সহ চাল বিতরন করা হয়। এর পরেও যদি কোন ব্যাক্তি সরকারী নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে জাটকা নিধন, পরিবহন অথবা ক্রয়-বিক্রয় করে তার বিরুদ্ধে জেল জরিমানা সহ উভয় দন্ডের বিধান রেখে কঠোর আইন পাশ কারা হয়েছে। অথচ ইলিশ রক্ষায় এ আইনের কোনপ্রয়োগ নেই যেন গৌরনদী, টরকীবন্দর সহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে।
গৌরনদী উপজেলা সংলগ্ন মাদানীপুর জেলার আড়িয়াল খা নদীতে ছোট বড় অসংখ্য নৌকা, ট্রলার দিয়ে দেদারছে নিধন করছে জাটকা ইলিশ। চালান করা হয় টরকীবন্দর দিয়ে। এসব দেখেও যেন না দেখার ভান করে ঢিলে ঢালাভাবে চলছে গৌরনদী মৎস্য অফিস ও প্রশাসন। প্রতিদিন গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন এলাকাগুলোতে নৌ ও সড়ক পথ দিয়ে জাটকার ছোট বড় অসংখ্য চালান পাচার হচ্ছে। সড়ক পথে জাটকা পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সাহেবরামপুর ভায়া টরকীবন্দর ট্রাকস্ট্যান্ড।
যানবাহন ব্যবহার করা হচ্ছে বড় বড় ট্রাক মিনি বাস মিনি ট্রাক, নসিমন,টেম্পু, ভ্যান, অথবা যাত্রীবাহী বিভিন্ন রুটের পরিবহনগুলো।
সচেতন মহল মনে করেন ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগ ও আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী সড়ক ও নৌ-পথে তৎপরতা বৃদ্ধি করে জাটকা নিধন অনেকটা রোধ করতে পারে। তাহলেই আমরা যে মাছে ভাতে বাঙালী, সেই ঐতিহ্য ফিরে আসবে।
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET