২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • চুকনগরে পানি সরবরাহের পথ বন্ধ করে ফসলের ক্ষতিসাধন করায় ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় কৃষকের মাঝে হতাশা।

চুকনগরে পানি সরবরাহের পথ বন্ধ করে ফসলের ক্ষতিসাধন করায় ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় কৃষকের মাঝে হতাশা।

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, চুকনগর.খুলনা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুলাই ২৮ ২০২১, ১৯:৩১ | 728 বার পঠিত

চুকনগরে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্যে পানি সরবরাহের পথ বন্ধ করে ২০লক্ষ টাকার জমির ফসল নষ্ট করায় ভুক্তভোগী কৃষকদের ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় কৃষকেরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে বরাতিয়া দাস পাড়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডঃ প্রতাপ রায় ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা ক্ষতিপূরণ দাবিসহ প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানায়।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা কৃষি অফিসার বরাবর দাখিল করা অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার বরাতিয়া গ্রামের নজরুল মালির বাড়ির সম্মুখস্থ কালভার্ট দিয়ে ভদ্রা নদী অভিমুখের একটি ছোট খাল দির্ঘদিন যাবৎ এলাকার পানি নিষ্কাশনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হঠাৎ এবছর জুন মাসের প্রথম দিকে বরাতিয়া গ্রামের মৃত হামিদ শেখের পুত্র আব্দুল কুদ্দুস শেখ কালভার্টের মুখ থেকে ৫০ মিটার দুরে খালের উপরে মাটি দিয়ে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এসময় এলাকার লোকজন ওই খাল উন্মুক্ত করতে গেলে কুদ্দুস তাদের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করে। এতে এলাকার বেশ কিছু কৃষকের উঠতি ফসল বেগুন,পটল,করোলা,কাকরোল,ঢেড়স,ঝিঙে,পেঁপেসহ বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া পাটেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী কৃষকরা জানায়। এবিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সহ এলাকার শতাধিক ব্যক্তি স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা কৃষি অফিসারের নিকট দাখিল করেন।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন বলেন,মুল কপি তারা ইউএনও স্যারের নিকট জমা দেন। কিন্তু ইউ এন ও স্যার বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করার কারনে হয়তো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। তবে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে এলাকার কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে আমি শুনেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আমি ১/২দিনের মধ্যে উভয় পক্ষকে ডেকে একটি সুষ্টু সমাধান করে দেব।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,ভবেন্দ্রনাথ দাস,খান জাহান আলী শেখ,হাসান গাজী সহ ২০/২৫ জন কৃষকের উঠতি ফসল নষ্ট হয়ে গেছে যার আনুমানিক মুল্য ২০ লক্ষাধিক টাকা। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা তাদের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
এব্যাপারে কুদ্দুস শেখে বলেন,কারো ক্ষতি করার জন্যে নয় আমার নিজের জমিতে ঘর নির্মাণ করার জন্যে মাটি ভরাট করেছিলাম কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব ফোন করার পর আবার কেটে দিয়েছি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডঃ প্রতাপ রায় বলেন,এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে কুদ্দুসকে ফোন করলে সে বাঁধ কেটে দেয়। কিন্তু ততদিনে ক্ষতি যা হবার তা হয়ে গেছে। পরবর্তীতে কুদ্দুস নিজ দায়িত্বে একটি নালা খনন করলেও সেটা পানি নিষ্কাশনের জন্যে যথেষ্ট নয়।ক্ষতিপূরণের জন্য ইউ এন ও স্যার ঢাকা থেকে ফিরে এসে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4723825আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 10এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET