খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শেখ সোহেল মাহমুদকে (২৬) খানজাহান আলী থানাধীন মশিয়ালী স্কুল মাঠে গুলি করার ঘটনার অস্ত্র মামলার আসামি মোঃ শামীম মোড়ল (২৪) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। সোহেল ফারিয়ারডাঙ্গা গ্রামের শেখ মোঃ হুমায়ুন কবীরের ছেলে।
গতকাল সোমবার ফৌজধারী দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় দেয়া শামীমের বিচারিক জবানবন্দি মট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম রেকর্ড করেছেন। শামীম রায়ের মহল মধ্যপাড়ার মসিউর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত সামছুর মোড়লের ছেলে। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খানজাহান আলী থানার এসআই সুমঙ্গল কুমার দাস শামীমকে একদিনের রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে পথের বাজারের শামীমের ফ্লেক্সি লোডের দোকানে বসে ছিল সোহেল। এ সময় সোহেলের বন্ধু সজীব মুঠো ফোনে জানায় বনির স্ত্রী লিজার সঙ্গে তোর যে পরকিয়ার সম্পর্ক রয়েছে তা মীমাংসা করা দরকার। তখন সোহেল শামীমের মোটরসাইকেলে মশিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে যায়। সেখানে সিহাবুর তানভীর, বনি ও শামমের সঙ্গে কথাবলার সময় পাইপগান বের করে সোহেলের ডান বগলে গুলি করে শামীম। মারাত্মক আহত অবস্থায় সোহেলকে প্রথমে ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং রাত ১০টার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার আহত সোহেলের ভাই শেখ মোঃ কামাল হোসেন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানাধীন মোল্লাবাড়ি এলাকার মোঃ তরিকুল ইসলাম ওরফে বনি ওরফে সুমন (৩৯) সহ অজ্ঞাত অপর একজনকে আসামি করে মামলা করা হয় (নং-৯)। বনি যশোর জেলার অভয়নগর থানার রানাগাতি গ্রামের মোঃ আব্দুল হামিদ মোল্লার ছেলে।









