বিশ্বের সব দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষও প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস নিয়ে ব্যাপকভাবে আতঙ্কিত। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তে সংখ্যা। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। করোনা আতঙ্কে বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল-কলেজসহ সকল সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে সারাবিশ্বের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় বাংলাদেশে লক ডাউন শুরু করেছে সরকার। কিন্তু সরকারের এসকল নিষেজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিলে ঝিনাইদহের ইটভাটাগুলোতে চলছে ইট পোড়ানো মহউৎসব। আর এসকল ইট ভাটাতে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে পোড়ানো হচ্ছে হাজার হাজার মন কাঠ। এতে ধোঁয়ায় পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা আর এর কালো ধোঁয়ায় দূষিত হয়ে পড়ছে এলাকার পরিবেশ, দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এতে উজাড় হয়ে যাচ্ছে এলাকার গাছ। ইউএনবি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মুনাফালোভীদের কাজে লাগিয়ে ভাটা মালিকারা ‘ইট প্রস্তুত করে আইন’ ভঙ্গ করছেন বলে অভিযোগ আছে। বর্তমানে জেলায় শতাধিক ইট ভাটা আছে। এরমধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি ভাটার লাইসেন্স থাকলেও বাকি গুলো বিনা লাইসেন্সে চালিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর থেকেও অনুমতি নিতে হয়। এ সবের তোয়াক্কা করেন না ভাটা মালিকেরা। ঝিনাইদহ থেকে হরিনাকুন্ডূ রস্তার ধারে গিলাবাড়িয়া, চাঁদপুর, সাধুহাটি হয়ে হরিনাকুন্ডূ পথে ইটভাটা গুলোতেতে অবাধে পুড়ছে জ্বালানী মধুবৃক্ষ সহ বিভিন্ন ধরনের কাঠ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহরের পাশেই গিলাবাড়িয়া গ্রাম তালেবের পিএসবি ব্রিকস, মেসার্স নাহার ব্রিকস, মেসার্স জেসমিন ব্রিকস, এই ইটভাটার প্রতিদিনের ন্যায় জটলা বেধে কাজ করছে শ্রমিকরা। হাতে নেই গ্লোপস, মুখে মাস্ক স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে সকল কাজ। করোনা ভাইরাস বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রমিকগণ জানান আমাদের মালিক পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা পায়নি, মালিক পক্ষ বললে এখনই কাজ বন্ধ করে দিবো।








