খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চুকনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে ছাত্রদের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
মিছিলটি যতিন-কাশেম রোডে আসতে আসতেই বিভিন্ন শ্রেণী পেশার শত শত জনতা মিছিলে যোগ দেয়। এরপর মিছিলটি খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক ও চুকনগর-যশোর মহাসড়কের কিছু অংশ প্রদক্ষিণ শেষে বাসষ্ট্যান্ডে এসে জমায়েত হয়। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করে, ছাত্র-জনতার শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে যায় গোটা এলাকা। দাবি বাস্তবায়ন ছাড়া তার ঘরে ফিরবেনা বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশ শুরুর সময় বাসষ্ট্যান্ডের পশ্চিম পার্শ্বে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দাড়িয়ে ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতা উপস্থিত হলে সে স্থান ত্যাগ করে তারা। এছাড়া বাসষ্ট্যান্ড থেকে ২০০ গজ দুরে শ খানেক পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও তারা বিক্ষোভ সমাবেশে কোন প্রকার বাধাঁ দেয়নি।
একপর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়। আটলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের দরজা জানালা ভাংচুর করে এবং কার্যালয়ের আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। কয়েকটি পরিবহন কাউন্টার ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে সমাবেশ শেষ করে তারা।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশ শুরুর সময় বাসষ্ট্যান্ডের পশ্চিম পার্শ্বে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দাড়িয়ে ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতা উপস্থিত হলে সে স্থান ত্যাগ করে তারা। এছাড়া বাসষ্ট্যান্ড থেকে ২০০ গজ দুরে শ খানেক পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও তারা বিক্ষোভ সমাবেশে কোন প্রকার বাধাঁ দেয়নি।
একপর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়। আটলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের দরজা জানালা ভাংচুর করে এবং কার্যালয়ের আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। কয়েকটি পরিবহন কাউন্টার ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে সমাবেশ শেষ করে তারা।
Please follow and like us:










