১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




বর্তমান সরকারের উন্নয়নের খন্ডচিত্র

মোহাম্মদ ইমন মিয়া, বাঙ্গরা,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ২২ ২০১৮, ১৮:০৯ | 792 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

মারুফ সরকার :
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় উঠে আসে জন্মের ৫০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে কীভাবে বাংলাদেশ দ্রুতগতিসম্পন্ন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মতো সফলতা দেখাতে যাচ্ছে। উঠে আসে জাতির পিতা কীভাবে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতার জন্য একতাবদ্ধ করেছিলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে কীভাবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব, দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা, কৃষি, দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রপ্তানীমূখী শিল্পায়ন, ১০০ টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, রপ্তানী আয় বৃদ্ধিসহ নানা অর্থনৈতিক সূচক। পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ। এতে প্রদর্শন করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদাত্ত আহ্বান, ‘আসুন দলমত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ একনজরে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের রেখা চিত্র দেথে নেয়া যাক।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র : দ্বিতীয় পর্যায়ে মূল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ২ শ ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত দুটি চুক্তির আওতায় এ প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের আওতায় ১২ শ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিটের মাধ্যমে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। প্রকল্পের মূল কাজ প্রথম রিয়্যাক্টর স্থাপন শুরু হয়েছে অনেক আগেই। দ্বিতীয় রিয়্যাক্টর স্থাপনের কাজও চলছে।

মেট্রোরেল: এ প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি ২৩ দশমিক ২২ শতাংশ। মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। প্রকল্পের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ১০৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত লাইন স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ-১ এর অগ্রগতি ১০০ শতাংশ। প্রকল্পের আওতায় পরবর্তী পর্যায়ে আগারগাঁও থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল পর্যন্ত লাইন স্থাপন কাজ শুরু হয়েছে।

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: আগস্ট পর্যন্ত এ প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ১০ দশমিক ৯৯ শতাংশ আর আর্থিক অগ্রগতি ১৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরামর্শকরা কাজ শুরু করেছেন। মাটি ভরাটের কাজ ১০০ শতাংশ, সীমানা প্রাচীর শতভাগ,অফিস কাম আবাসিক ভবনের কাজ শতভাগ, সংযোগ সড়ক ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা।

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র : প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ১৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার একর জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষ। এছাড়া ওনারস ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ এবং জমি সংক্রান্ত দায়িত্ব,বাউন্ডারি ফেন্সিং কাজ এবং পরিবেশ সংক্রান্ত ক্লিয়ারেন্স এর কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। শুরু থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৬ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা।

পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর: এ বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের আওতায় জমি অধিগ্রহণ, ওয়্যার হাউজ নির্মাণ, সার্ভে বোর্ট,পাইট ভেসেল ইত্যাদি ক্রয় করা হচ্ছে। আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ১৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

পদ্মাসেতুতে রেলসংযোগ: এ প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া আর্থিক অগ্রগতি ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হচ্ছে ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের শুরু থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৯ হাজার ৮৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ: এ প্রকল্পটি বিল্ড ওন অপারেট এন্ড ট্রান্সফার (বিওওটি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত বছরের ১৮ জুলাই টার্মিনাল ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছে। জিও টেকনিক্যাল সার্ভের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে ডিজাইনের কাজ চলছে। সেই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এর আগে মহেশখালী-আনোয়ারা, আনোয়ারা- ফৌজদারহাট এবং চট্টগ্রাম- ফেনী-বাখরাবাদ গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন প্রকল্প দুটিও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে নাম দেওয়া হয়েছে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ ও গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নাম কারণের সিদ্ধান্ত নেয় ফাসট ট্র্যাক প্রজেক্ট মনিটরিং কমিটি।

রামু-মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়াল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ: এ প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ১১ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। রিসেটেলমেন্টের জন্য এনজিও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হচ্ছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ২০৫ কোটি টাকা।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET