বাগেরহাট জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সর্দার লিয়াকত আলীকে গতকাল রাতে বাগেরহাট গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গ্রেপ্তার পূর্বক মিথ্যা নাশকতা মামলায় জেলহাজতে প্রেরণের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে সর্দার লিয়াকত আলীসহ গ্রেপ্তার কৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি শেখ মুজিবুর রহমান, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহ সভাপতি এবং সেভ দ্যা সুন্দরবনের চেয়ারম্যান লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি কামরুল ইসলাম গোরা, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সৈয়েদ নাছির আহাম্মেদ মালেক. জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম পল্টু, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এবং বাগেরহাট ডেভলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান শেখ মোঃ জাকির হোসেন, বাংলাদেশ তাঁতি দলের যুগ্ম আহবায়ক কাজী মনির, সাবেক জাসাস নেতা মঞ্জুর মোর্শেদ স্বপন।
জেলা যুবদলের সভাপতি হারুন আল রশীদ, সাধারণ সম্পাদক সুজাউদ্দিন মোল্লা সুজন (সুজন মোল্লা), বাগেরহাট জেলা বন্ধুদলের সমন্বয়ক কামরুজ্জামান শিমুল .জেলা ছাত্রদলের সিনিঃ সহসভাপতি নিয়াজ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান রাসেল মোল্লা, জেলা যুবদলের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক এস কে বদরুল আলম, জেলা যুবদলের দফতর সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, যুবনেতা সোহেল তরফদার, জাহিদ শেখ (এসকে), সিরাজুল ইসলাম, মৃধা জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রনেতা আরিফ শেখ, শ্রমিকনেতা মামুন সর্দার, শওকাত শেখ, বাশারাত শেখ, মিজান শেখ, আশারাত শেখ, ডিয়ার রহমান, মোল্লা রনি, মিরাজুল ইসলাম মিলু, হাসান সরদার, মিজান শেখ, সাইফুল ইসলাম, মীর সাগর, হানজালা হাজারী প্রমুখ।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় বন্ধু দলের সভাপতি শরীফ মোস্তফা জামান লিঠু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে নেতারা বিগত কয়েক বছর আগে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সর্দার লিয়াকত আলী বাইপাস সার্জারি করে অসুস্থ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বিএনপি করার অপরাধ ও রাজপথে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে স্বোচ্চার থাকার কারণে ফ্যাসিবাদী সরকার তাকে গ্রেফতার করেছে। অনতিবিলম্বে সর্দার লিয়াকত আলী সহ গ্রেফতারকৃত সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী সেলিমুল হক এবং ষাট গুম্বজ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শেখ মোতালেব হোসেনের দ্রুত নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।









