শহিদুল ইসলাম, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আর মাত্র কয়েক দিন বাকী তার পর শুরু হবে হিন্দু সম্পদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব। সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ২৭৯টি, মন্দিরে সার্বজনীন মন্ডপে দুর্গা পূজা অনুষ্টিত হবে। আর তাই প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে জোর গতিতে। প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাষকর শিল্পীরা। নিখুত হাতের কারুকার্য দিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তৈরি করছেন প্রতিমা। পূর্জার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই যেন ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে প্রতিমা তৈরির শিল্পীদের।
প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা বলছেন ১ মাস ধরে তারা প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন আর কয়েক দিনের মধ্যেই তৈরির কাজ শেষ হবে। তার পর থেকে শুরু হবে রং তুলির কাজ। অন্যদিকে প্রতিমা তৈরির পাশা পাশি প্রতিটি মন্ডপে চলছে গেট আর প্যান্ডেলের কাজ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা আগামী ১৫ই অক্টোবর মহাপঞ্চমী দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরের দিন মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। এবার দেবীর আগমন নৌকায় প্রস্থান হবে দোলনায় চড়ে। ধূপ, কাশা, ঘণ্টা আর ঢাকের তালে তালে শুরু হবে শারদীয় উৎসব। তাই শেষ সময়ে চলছে মা দেবী দূর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ। সুন্দর থেকে সুন্দরতর প্রতিমা তৈরি করতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন সম্প্রদায়ের পালেরা।
এবার প্রতি সেট প্রতিমা তৈরিতে চল্লিশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন তারা। তবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে তৈরি প্রতিমার চাহিদা বেশি বলে কারিগররা জানান। তারা বলেন, সিনিয়র পালেরা আকৃতি নির্ধারণ করে দেন। সহযোগী পালেরা পরে সম্পূর্ণ আকৃতি গড়েন। মুকসুদপুর উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল কান্তি বোস জানান, এবার মুকসুদপুর উপজেলায় ২৭৯টি মন্দিরে দূর্গা পূজা অনুষ্টিত হবে। এর মধ্যে মন্ডপে দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন শিল্পীদের রং তুলির কাজও প্রায় শেষ। মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল পাশা জানান, দূর্গাপূজা সুষ্ট সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষে একটি মতবিনিময় সভা হয়েছে। সভায় প্রতিটি পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পূজা উদ্যাপন পরিষদ সব সময় কাজ করবে। তাছাড়া প্রতিটি পূজা মন্ডপে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে আনসার বিডিপির সদস্যসহ পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।









