, , ,

শিরোনামঃ-




যশোরের ঝিকরগাছায় ভেড়া চাষে ঝুঁকছেন তরুণ উদ্যোক্তরা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মে ০৫ ২০১৮, ২১:১৪ | 962 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

ইয়ার হোসেন, ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের ঝিকরগাছায় বেশি মুনাফা লাভের আশায় গাড়ল চাষে ঝুঁকছেন তরুণ উদ্যোক্তরা। লাভজনক হওয়ায় ঝিকরগাছার বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গড়ে উঠতে শুরু করেছে সম্ভবনাময় এই গাড়ল খামার। স্বল্পপুজির বিনিয়োগে অল্পদিনে বেশি মুনাফা লাভের আশায় নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের বায়সা, গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের গোরসুটি, ঝিকরগাছাসদর ইউনিয়নের গাজিরদরগাহ এলাকা, নওয়াপাড়া, মল্লিকপুর, চাঁপাতলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে গাড়লচাষ শুরু হয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার বায়সা গ্রামে আব্দুর রহিম মৃধা তার বাগান বাড়ির প্রায় ৪০ বিঘা জমির উপর এই খামার করেছে। এছাড়া গৌরসুটি বাওড়ে ইলিয়াস মাহমুদ, মল্লিকপুর গ্রামে তরিকুল ইসলাম, চাঁপাতলা গ্রামে শহিদুল, নওয়াপাড়ার ইসমাইলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বেশ কিছু তরুন উদ্যোক্তা এখন গাড়ল চাষের খামার করেছেন। উদ্যোক্তাদের মতে, একটি মাদিগাড়ল বছরে দূ’বার বাচ্চাদেয়। প্রতিবার ২ থেকে ৪/৫টি পর্যন্ত বাচ্চাদিতে সক্ষম হয়। একটি বয়স্কগাড়ল দেড় থেকে ২ বছরের মাথায় ৩০/৩০ কেজি পর্যন্ত মাংস হয়। গাড়লের মাংসের দাম দেশী খাসীর মাংসের সমান। গাড়লচাষে খরচ কম বলে জানান তরুণ উদ্যোক্তা আব্দুর রহিম মৃধা। তারা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নিজবাড়িতে গড়ে তুলেছেন একটি সম্ভাবনাময় গাড়লের খামার। সৌখিন এই উদ্যোক্তার তিনজোড়া গাড়ল থেকে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ছোটবড় অন্তত্ব ৪০ টি। যার বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। স্বল্পবিনিয়োগে তিনি খামারটি লাভজনক পর্যায়ে নিতে সক্ষম হয়েছেব বলে জানান। আব্দুর রহিম ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল বায়সা গ্রামে নিজ খামার বাড়িতে গড়ে তুলেছেন বর্ধণশীল জাঁতের গাড়লের খামার। আব্দুর রহিম জানান, ২০১১ সালের জুন/জুলাই মাসে তিনি মেহেপুরের শিয়ালমারি বাজার থেকে ৩ জোড়া মাদি গাড়লেরবাচ্চ প্রতিটি ৬ হাজার ৫শ’ টাকা ও একটি পাঠা গাড়ল ৮ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। পরে আরও তিনজোড়া মাদিগাড়ল প্রতিটি ৭ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। ঘর-মাচানসহ তার লগ্নিকৃত অর্থের পরিমান দাঁড়ায় ৭৫/৮০ হাজার টাকা। অনভিজ্ঞতার কারণে প্রথমদিকে (পিপিআর) রোগে বেশ কয়েকটি গাড়লের বাঁচ্চা মারাগেলেও এখন উৎপাদণ স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নিয়মিত রোগপ্রতিষেধক টিকাদানের পাশাপাশি পরিচর্যা করার জন্য অভিজ্ঞ একজন পল্লীপশু চিকিৎসক দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া হাশেম আলী নামের একজন কেয়ারটেকার মাসিক ৭ হাজার টাকা বেতনে গাড়লখামার দেখভাল করেন। গাড়ল সাধারণত তৃণভোজি নিরীহপ্রাণী। চারনভূমিতে দলবদ্ধ অবস্থায় ঘাসলতাপাতা খেতে পছন্দ করে। গাড়ল পালনে বাড়তি খরচবলতে  গম,ভূট্টা, চালেরগুড়া, খৈল, লবন মিশ্রিত খড় ইত্যাদি। তবে খোলামাঠ, বাগান থাকলে বাড়তি খাবার না দিলেও চলে। খামারী আব্দুর রহিম মৃধা জানান, প্রতিদিন তার মাত্র ৫ কেজি খাবার কিনতে হয়। রোগপ্রতিষেধক হিসেবে নির্দিষ্ট সময়ে পিপিআর ভ্যাকসিন, ক্রিমিনাশক ও ভিটামিন খাওয়ানো হয়। তবে ঝিকরগাছায় কী পরিমান গাড়ল/ভেড়া রয়েছে তার কোন সঠিক পরিসংখ্যান জানাতে পারেনি উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর। বেশ কয়েকবার ভেড়া খামারিদের প্রশিক্ষনের ব্যাবস্থা করার কথা বলা হলেও তার কোন উদ্যোগ প্রাণী সম্পদ দপ্তর হতে নেয়া হয়নি বলে কয়েকজন খামারি জানিয়েছেন।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET