দিনাজপুরের ফুলবাড়ীসহ আশ-পাশ এলাকায় শুরু হয়েছে হাড় কাপানো শীত। হিমালয়ের হিম বাতাস আর ঘন কুয়াশায় ঢেঁকে থাকায় গত চারদিন থেকে কোন ভাবেই সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি। এদিকে শীতের তিব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। একই সাথে শীত জনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে শিশু ও বৃদ্ধদের মাঝে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জন রোগী শীত জনিত রোগে ভর্তি হচ্ছে,এছাড়া বহির বিভাগেও শীত জনিত রোগীর ভিড় দেখা গেছে ।
বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাঁকা আকাশ। ফলে গত চারদিন থেকে সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি ফুলবাড়ীসহ পার্শবর্তী এলাকা গুলোতে। এর উপর হিমালয়ের শীতল বাতাস শীতের তীব্রতা যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে বসেছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষ কাজ ছাড়া ঘরের বাহিরে বের হতে পারছেনা অধিকাংশ মানুষ। ফলে শহর এখন অনেকটা ফাঁকা,আয় কমে গেছে রিক্সা চালক ও দিন মজুরদের।
রিক্সা চালক মনছুর আলী বলেন,সকাল থেকে তিনি তীব্র শীত উপেক্ষা করে রিক্সা নিয়ে বের হলেও যাত্রী মিলছেনা একই অবস্থা নি¤œ আয়ের অন্য পেশার মানুষদের। দিন মজুর তবারক আলী বলেন, শীতের কারনে খেত খামারে কাজ করা যাচ্ছেনা ফলে তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রেজাউল করিম বলেন, শীতের কারনে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে,ফলে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জন রোগী শীত জনিত রোগ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছে এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু এবং বৃদ্ধ। এছাড়া প্রতিদিনই বহির বিভাগে চিকিৎসা নিতে শীত জনিত রোগীরা ভিড় জমাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শীতের কারনে শিশুরা ডায়রিয়া,জ¦র সর্দি-কাশি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এজন্য তিনি শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের তীব্র শীত থেকে রক্ষা পেতে তাদের প্রতি বেশি যত শীল হতে বলেছেন।
শীতের তীব্রতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত মিলেনি সরকারি গরম কাপড়। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী বলেন,শীতার্থদের জন্য গরম পোশাকের চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে বরাদ্ধ আসা মাত্র গরিব শীতার্থদের মাঝে গরম পোশাক বিতারণ করা হবে।









