কেশবপুর থেকে ফিরে, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:- কেশবপুরের সাগরদাড়ি গ্রামে চাচার বিরুদ্ধে ভাইপোর প্রাপ্ত সম্পত্তি ফাঁকি দেওয়ার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে । আপন ছোট ভাইয়ের অংশ বুঝে না দিয়ে বড় ভাই পিতার সমস্ত সম্পত্তি ভোগ দখলে রেখে উল্টো ছোট ভাইয়ের ছেলেকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ঐ এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে ।
সূত্রে জানাযায়, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ি গ্রামের মৃত মোঃ ঈমান গাজী পরলোক গমনের আগে তার দুই ছেলে এক মেয়ের মধ্যে ছোট ছেলে মতিয়ার গাজী ও মেয়ে আছিয়া বেগম পরলোক গমন করেন। ছোট ছেলে মতিয়ার গ্রাজী মৃত্যুকালে এক ছেলে মশিয়ার রহমান ও এক মেয়ে রেশমা বেগমকে রেখে যান। তারা তাদের মামার বাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছে । সেই থেকেই ঈমান গাজীর বড় ছেলে কাশেম তার পিতার সমস্ত সম্পত্তি একাই ভোগদখল করে আসছিলো। দুই বছর আগে ঈমান গাজী হার্ড স্ট্রোকে মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যু ঈমান গাজীর ছোট ছেলে মৃত্যু মতিয়ার গাজীর ছেলে মশিয়ার তার বড়চাচার নিকট পিতার সম্পত্তি বুঝে নিতে চাইলে তাকে সম্পত্তি বুঝে না দিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে এমনকি জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী মশিয়ার গাজী। সাগরদাড়ি মৌজায় এসএ ৩১৬ চলতি ১৯৩ দাগে বসতবাড়ীর ৭ শতক জমি নিয়ে চলছে এই বিরোধ। এদিকে আইন ও শালীস উপেক্ষা করে চাচা কাশেম গাজী তার বসত ভিটার প্রাপ্ত জমি বুঝে না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা করে আসছে।
সরেজমিন গেলে চাচা কাশেম জানান, আমি জমি ফাঁকি দিয়েছি। আমি সম্পত্তির উপর জোরপূর্বক দখল করেছি তাতে কেকি করবে। এব্যাপারে এতিম অসহায় মশিয়ার তার প্রাপ্য জমি বুঝে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
তালায় কপোতাক্ষের পার্শ্ববর্তি এলাকা প্লাবন ঝুকিতে ক্রসড্যাম বাঁধের কারনে
মোঃ তাজমুল ইসলাম,তালা(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাখিমারা বিলের টিআরএম প্রকল্পের পলি ব্যবস্থাপনার জন্য কপোতাক্ষ নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক স্থাপনকৃত ক্রস ড্যাম এখন অত্র এলাকার জনগনের ক্ষতিতে পরিনত হয়েছে।
শুক্রবার সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, টিআরএম প্রকল্পের পলি ব্যবস্থাপনার জন্য কপোতাক্ষ নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক স্থাপনকৃত ক্রস ড্যাম সঠিকভাবে অপসারন না করায় নদীতে প্রবল শ্রোত থাকার কারনে পানি নদীর পশ্চিম (বালিয়া, শুভঙ্করকাটী, শ্রীমন্তকাটী) তীরে আঘাত হেনে রাস্তা ভেঙ্গে ফসলী জমি ও জনবসতিপূর্ন এলাকায় ঢুকে পড়ছে। পানি প্রবেশ রোধকল্পে স্থানীয় জনগন রাস্তার ভেতরের ভেড়ি বাঁধ নির্মান করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শেখ এখলাস আলী, জাকির হোসেন সানা, মোসলেম হাজরাসহ অনেকেই জানিয়েছেন, ক্রস ড্যাম বাঁধ সঠিকভাবে অপসারন না করলে ৬/৭ শত বিঘা জমিতে ধান চাষ ব্যাহত হবে এবং এ বাঁধ সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হবে।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জনাব ফিরোজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওখানে বাঁধ অপসারনের জন্য লেবাররা কাজ করছে। কোন লেবারকে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে না বলে জানালে তিনি বলেন, ৩ দিন কাজ হয়েছিলো বলে জানি। বিষয়টি আমি দেখছি- বলেও জানান তিনি। ভেঙ্গে যাওয়া নদীর তীরবর্তি রাস্তা নির্মানের কাজ করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ রাস্তা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক নির্মিত। তাই কাজটি কে করবে, তা বলতে পারছি না। তবে, আমি চায় ঐ রাস্তাটি ও হোক। এ ব্যাপারে আমি আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।
উল্লেখ্য যে, টিআরএম বিলে পলি ব্যবস্থাপনার জন্য ক্রস ড্যাম বাঁধ নির্মান করার কথা থাকলেও তা না করায় প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিকদের লেখনির ফলে প্রকল্পের শেষ দিকে তা নির্মান করা হয়। এলাকাবাসী ক্রস ড্যাম বাঁধের পাইলিং, তার , বালুর বস্তা সঠিকভাবে অপসারন করে নদী ভাঙ্গন রোধ ও প্লাবন ঝুকি থেকে তাদের বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।









