ইমরান খান রাজ-
মানুষের জীবন ধারনের জন্য খাবার যতটুকু প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন নিরাপদ খাবার গ্রহণ করা। ভালো ও মানসম্মত খাবার অল্প পরিমাণ গ্রহণ করলেও শরীর ভালো থাকবে এবং আপনিও সুস্থ থাকবেন। অপরপক্ষে মানহীন খাবার বা ভেজাল মিশ্রিত দামী খাবার বহু পরিমাণ গ্রহণ করলেও আপনি অসুস্থ হয়ে পরবেন। তাই নিরাপদ খাবার গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্টে, ফুড কার্ট বা ফুটপাত থেকে খাবার খেয়ে থাকে। যার ফলে হরহামেশাই তাঁরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কি খাচ্ছি আমরা ? খাবার খাওয়ার আগে সেটা কি একবারও ভেবে দেখি ? ফুটপাতে বিক্রি হওয়া ফুচকা, চটপটি, আঁচার বা জিলাপি থেকে শুরু করে দামি রেস্টুরেন্টে বিক্রি হওয়া চিকেন ফ্রাই আর বিরিয়ানিতেও ভেজাল ছড়িয়ে পরছে। খাদ্যে ভেজাল রোধে নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষসহ হাতেগোনা কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করলেও সেটা পর্যাপ্ত নয় খাদ্যে ভেজাল পুরোপুরি রোধ করার মতো !
খাদ্যে ভেজাল মেশানো ধর্মীয়ভাবে যেমন পাপ কাজ। একইভাবে এটি একটি মারাত্মক অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজ। বাংলাদেশে খাদ্যে ভেজাল রোধে ভেজালকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জেল বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ দ্রুতই নানাবিধ জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ঘোরাঘুরি করছে। সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষায় খাদ্যে ভেজাল রোধ করা জরুরী। আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশ একদিন নিরাপদ খাদ্যে পরিপূর্ণ থাকবে।
শিক্ষার্থী, শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ।
স্টাফ রিপোর্টার, নয়া আলো ডট কম।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা৷









