সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর বাজার হইতে মানিকগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিঃমি রাস্তা। বিগত বাইশ সালের বন্যা ভয়াবহ বন্যায় রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ভাংঙ্গনের সৃষ্টি হয়। অনেক দিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেছিল যানবাহন। জনসাধারণের কষ্ট লাগবে তাৎক্ষণিক রাস্তাটি মেরামত করে দেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিলুর রহমান। কিন্তু বাইশ সালের বন্যা পরবর্তী রাস্তাটি সংস্কার করতে পারে নি কতৃপক্ষ। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জনগণকে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ১৫ টনের অধিক ওজনের বালুবাহী ট্রাক গ্রামীন এই রাস্তাটিতে চলাচল করছে প্রতিনিয়ত। স্থানীয়রা জানান, এসব ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে মানুষ ও হালকা যান চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। তার মধ্যে রাস্তাটিতে বড় বড় ভাংঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,আমি নিজে দেখেছি এই রাস্তায় ১৫ টনের অধিক ওজনের ট্রাক চলাচল করতে। তিনি আরো বলেন, ফতেপুর বাজারে রাস্তাটির প্রবেশদ্বারে ভারী যানবাহন চলাচল না করার জন্য পিলার বসানো হয়েছিল। কিন্তু কে কারা পিলারগুলো ভেঙ্গে দিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সহযোগিতায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি বিষয়টি দেখার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছেন। রাস্তা মেরামত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারী যানবাহন বন্ধ না করা হলে মেরামত করে কোন লাভ হবে না। শ্রীঘ্রই রাস্তা মেরামতের কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ টন ওজনের শত শত ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীন এই রাস্তাটি বেহাল দশায় পরিণত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে লক্ষাধিক জনগণকে।









