চৌদ্দগ্রামে টিকা গ্রহীতারা মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, ৭ আগস্ট ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত না করলে সংক্রমিত হতে পারে অনেক টিকা গ্রহীতা।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফায় গণ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে ১৮ হাজার ৬’শ ৬৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন ৮ হাজার ৯’শ ৪৪ জন। প্রতিদিন টিকা গ্রহীতাদের ভীড় বেড়েই চলছে। ভীড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। লাইন নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।
হাসপাতালে টিকা গ্রহন করতে আসা ৪৫ বছর বয়সী খাদিজা বেগমের সাথে কথা হয়। গাদাগাদি করে কেন লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা দিচ্ছেন এতে করোনা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এত কিছু বুঝিনা টিকা নিতে এটা জানি না। অন্যরা তো স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাইনে দাঁড়ায়নি। এতে আমার কি করার আছে।
আবু বকর সুজন নামের এক যুবক বলেন, কেউ স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা গ্রহণ করছে না। এতে করে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।
চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শিব প্রসাদ দাস গুপ্ত বলেন, টিকা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই টিকা গ্রহণ করতে হবে। অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কারণ টিকা গ্রহীতাদের কে না কেউ সংক্রমিত থাকতে পারে। এতে করে অন্যরাও সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা প্রয়োগ না করলে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ হাসিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিন টিকা গ্রহীতাদের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা একটা ভালো লক্ষণ। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাইনে দাঁড়ানোর নির্দেশনা থাকলেও তারা তা মানছেন না’।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মঞ্জুরুল হক বলেন, হাসপাতালে টিকা গ্রহীতাদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো ৭ আগস্ট ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা গ্রহীতারা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা গ্রহণ করে।









