(ছবিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হোমায়রা ইসলাম।)
চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার গত ১লা জুলাই থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করলেও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তা শিথিল করা হয়। শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে সরকার ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে। এ লকডাউন বাস্তবায়নে ছাগলনাইয়া পৌর শহরে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি পরিলক্ষিত হয়। সকাল থেকে বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেক পোস্ট বসিয়ে দায়িত্ব পালন করতে দেখাযায়। উপজেলা প্রশাসনের নজরদারিতে ছাগলনাইয়ায় ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন সরকার ঘোষিত জরুরী সেবা সমুহ ব্যতীত অন্যসব দোকান পাট বন্ধ ছিলো। তবে, ছাগলনাইয়া পৌর শহরে প্রশাসনের নজরদারিতে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন হলেও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার কিংবা গ্রাম এলাকায় ঢিলেঢালে লকডাউন পালিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেসব স্থানে খোলা ছিলো অধিকাংশ দোকানপাট। মাস্ক পরিধান ছাড়াই অনেকে বিনাপ্রয়োজনে হাট বাজারে ঘুরাফেরা করার চিত্র দেখাগেছে। এ নিয়ে সচেতন নাগরিকদের দাবি, কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহর ও গ্রামে সমহারে নজরদারি চলমান রাখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, সকাল থেকে ছাগলনাইয়া বাজারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত নির্বাহী মেজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় স্বাস্থ্য অমান্য করা ও লাইসেন্স বিহীন মোটরবাইক চালকদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান ভ্রাম্যমান আদালতকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা আক্তার বিথী। বিকেলে ছাগলনাইয়া পৌর শহরের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম।
এ সময় নির্ধারিত সময়ের পর অননুমোদিত ভাবে দোকানপাট খোলা রাখায় এবং মাস্ক পরিধান না করায় দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর বিভিন্ন ধারায় ২২ জনের নিকট থেকে ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
Please follow and like us:









