, , ,

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • নাগরিক দূর্ভোগ
  • ডুমুরিয়ার শোভনা-খর্ণিয়া ৭ কিলোমিটার পাকা সড়কের ১শ মিটার কাঁচা রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ




ডুমুরিয়ার শোভনা-খর্ণিয়া ৭ কিলোমিটার পাকা সড়কের ১শ মিটার কাঁচা রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, বিশেষ করেসপন্ডেন্ট,খুলনা।

আপডেট টাইম : মে ১০ ২০২২, ১৮:৫৯ | 970 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

ডুমুরিয়ার শোভনা-খর্ণিয়া ৭কিলোমিটার পাকা সড়কের ১শ মিটার কাঁচা রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অল্প বৃষ্টিতে কাদা মাটি ও পানিতে যাতায়াতে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। ফলে জনভোগান্তির আরেক নাম এখন শোভনা-খর্ণিয়া সড়কের একশ মিটার কাঁচা রাস্তা। ডিজিটাল দেশে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের নাজুক অবস্থা কেন ? এমন প্রশ্ন স্থানীয় জনগণের। তবে শোভনা ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন অতি দ্রুত কাঁচা রাস্তাটি ইটের সোলিং দ্বারা পাকা করা হবে।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এক সময়ের খরস্রোতা প্রমত্তা ভদ্রানদী আশির দশকে পলি পড়ে ভরাট হয়ে সমতল ভূমিতে পরিণত হয়। সেই থেকে ওই সমতল ভূমিতে এলাকার হাজারও ভূমিহীন কৃষক চাষাবাদ করে ফলাতে থাকে সোনালী ফসল। এরপর ওই ভরাট নদীর উপর দিয়ে এলজিইডি অধিদপ্তরের অর্থায়নে পাকা কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণ করা হয়। গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের ভরাট হওয়া ভদ্রা নদী খনন করেন। এতে শোভনা-খর্ণিয়া দুই ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দুঃখ দূর্দশার কথা ভেবে এলাকার সাধারণ মানুষের আর্থিক অনুদানে ও উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় খননকৃত নদীর উপর প্রায় একশত বিশ ফুট দৈর্ঘ্য একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়। যা দিয়ে মানুষ যাতায়াত করতে থাকে। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই সেতু দিয়ে স্কুল কলেজ শিক্ষার্থী, ভাড়ায় চালিত মটর সাইকেল, মটর ভ্যান, নছিমন করিমন যাতায়াত করে থাকেন।
এছাড়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়ন একটি কৃষি প্রধান এলাকা বলে খ্যাত। এখানকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য খর্ণিয়া, ডুমুরিয়া,আঠারমাইল,চুকনগর, কাঠালতলা ও খুলনা সহ বিভিন্ন হাটে বাজারজাত করার একমাত্র উপায় এ কাঠের সেতুটি। কিন্তু ২ বছর যেতে না যেতেই খননকৃত ওই ভদ্রানদী আবারও পলি পড়ে ভরাট হয়ে যায়। ফলে সেতুটি সংকুচিত করে মাত্র ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য রেখে বাকি অংশ কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে একটি কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করা হয়। কিন্তু মাটির রাস্তা দিয়ে শুকনার সময় ভাল চলাচল করা গেলেও বৃষ্টিতে কাদা পানি জমে পড়ায় যানবাহন চলাচল তো দুরের কথা পায়ে হেঁটেও চলা খুবই কষ্টের ব্যাপার এমন অভিযোগ এলাকার সাধারণ মানুষের। ফলে বৃষ্টি হলে কৃষকরা পড়েন দারুন দুশ্চিন্তায়। তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য পারাপার করতে না পেরে নানা ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এ বিষয়ে কথা হয় শোভনা পশ্চিম পাড়া এলাকার কৃষক কোরমান শেখ, আবু বক্কার, মটরসাইকেল চালক সমিতি সভাপতি মিজানুর মোল্লা, মটরভ্যান শ্রমিক নেতা শহীদ গাজী, ব্যবসায়ী রুহুল বাওয়ালী, মনিরুল সরদার বলেন, শোভনা-খর্ণিয়া এ দুই ইউনিয়ন যোগাযোগের সেতু বন্ধনের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এ সড়কটি। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে কাঁচা রাস্তাটি আমাদের দারুন ভোগান্তিতে ফেলে। এমনকি বাইরের আত্মীয় স্বজনরাও আসতে অনীহা প্রকাশ করে। এ প্রসঙ্গে শোভনা ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য বলেন, কাঁচা মাটির রাস্তা ইটের সোলিং দ্বারা পাকা করার প্রকল্প দেয়া হয়েছে। অতি দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। এছাড়া পাকা ব্রীজ নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET