২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




ডুমুরিয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ওলের আবাদ।

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, বিশেষ করেসপন্ডেন্ট,খুলনা।

আপডেট টাইম : জুলাই ০৯ ২০২১, ১২:৫২ | 885 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

খুলনার ডুমুরিয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ওলের আবাদ । এবছর ডুমুরিয়ায প্রায় সাত শতাধিক কৃষক ৮০ হেঃ জমিতে এর আবাদ করেছেন। আবহাওয়া ভাল থাকায়, ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। ইতোমধ্যে, অনেকই ওল উঠান শুরু করেছেন, বাজার মূল্য বেশি পাওয়ায় কৃষক অত্যন্ত খুশি। চুকনগরের কৃষক মেহেদী হাসান বাবলু বলেন, অন্যন্য বছর বসত বাড়িতে খাওয়ার জন্য দু/একটি ওলগাছ লাগাতাম। এবছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষন এবং বীজ, সার সহায়তা পেয়ে ২০ শতক জমিতে বানিজ্যিকভাবে মাদ্রাজী ওল লাগিয়েছিলাম। আমার ওল উঠান শুরু হয়েছে। গড়ে এক একটি ওলের ওজন হয়েছে ৪ কেজি এবং বর্তমানে কেজি প্রতি মূল্য ৭০ টাকা। আমি এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪০ হাজার টাকার ওল বিক্রি করেছি এবং আরও প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা বিক্রি হবে। আমার এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সবমিলিয়ে লাভ হবে ৭০,০০০ টাকা। এটি খুব ভাল ফসল।

বরাতিয়া গ্রামের কৃষক তাপস সরকার বলেন, আমি কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রদর্শনী পেয়ে ২০ শতক জমিতে ওল লাগিয়েছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে।
খর্নিয়া গ্রামের কৃষক আবু হানিফ মোড়ল বলেন, এ বছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ বিঘা জমিতে ওলের আবাদ করেছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে। আগামীতে এর বীজ রাখব এবং এলাকায় এর আবাদ অনেক বৃদ্ধি পাবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, কন্দাল ফসল বলতেই নিরাপদ এবং উচ্চ মূল্যের। সাধারনত ওল যখন বাজারে আসে, তখন বাজারে অন্যান্য সবজি কম থাকে। ফলে বাজারে মূল্য ও চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এ বছর কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায ৬৩০ জন কৃষককে প্রশিক্ষন এবং ৪০-৪৫ জনের প্রদর্শনী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ফলে গতবারের তুলনায় এর আবাদ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ডুমুরিয়ার মাটিও আবহাওয়া এটি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আগামীতে এটি সম্প্রসারনে আরও বেশি লোককে প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে। ডুমুরিয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ওলের আবাদ। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় অনেকে ইচ্ছা থাকলেও ওলের আবাদ করতে পারেনা। এ বছর ডুমুরিয়ায প্রায় সাত শতাধিক কৃষক ৮০ হেঃ জমিতে এর আবাদ করেছেন। আবহাওয়া ভাল থাকায়, ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। ইতোমধ্যে, অনেকই ওল উঠান শুরু করেছেন, বাজার মূল্য বেশি পাওয়ায় কৃষক অত্যন্ত খুশি। চুক নগরের কৃষক মেহেদী হাসান বাবলু বলেন, অন্যন্য বছর বসত বাড়িতে খাওয়ার জন্য দু/একটি ওলগাছ লাগাতাম, এ বছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষন এবং বীজ, সার সহায়তা পেয়ে ২০ শতক জমিতে বানিজ্যিক ভাবে মাদ্রজী ওল লাগিয়েছিলাম। আমার ওল উঠান শুরু হয়েছে। গড়ে এক একটি ওলের ওজন হয়েছে ৪ কেজি এবং বর্তমানে কেজি প্রতি মূল্য ৭০ টাকা। আমি এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪০ হাজার টাকার ওল বিক্রি করেছি এবং আরও প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা বিক্রি হবে। আমার এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সবমিলিয়ে লাভ হবে ৭০,০০০ টাকা, এটি খুব ভাল ফসল।বরাতিয়া গ্রামের কৃষক তাপস সরকার বলেন, আমি কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রদর্শনী পেয়ে ২০ শতক জমিতে ওল লাগিয়েছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে। খর্ণিয়া গ্রামের কৃষক আবু হানিফ মোড়ল বলেন, এ বছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ বিঘা জমিতে ওলের আবাদ করেছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে। আগামীতে এর বীজ রাখব এবং এলাকায় এর আবাদ অনেক বৃদ্ধি পাবে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন কন্দাল ফসল বলতেই নিরাপদ এবং উচ্চ মূল্যের। সাধারনত ওল যখন বাজারে আসে, তখন বাজারে অন্যন্য সবজি কম থাকে। ফলে, বাজারে মূল্য ও চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এ বছর কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায ৬৩০ জন কৃষককে প্রশিক্ষন এবং ৪০-৪৫ জনের প্রদর্শনী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ফলে, গতবারের তুলনায় এর আবাদ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ডুমুরিয়ার মাটিও আবহাওয়া এটি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আগামীতে এটি সম্প্রসারনে আরও বেশি লোককে প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET