১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




তাহিরপুরে করোনা ভাইরাসের ভয়ে স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এখন রোগী শূন্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : এপ্রিল ০৩ ২০২০, ১০:৫৫ | 1225 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তিন লক্ষাধিক মানুষের ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্সে করোনা ভাইরাসের ভয়ে এখন রোগী শূন্য হয়ে পরেছে । দুই সপ্তাহ আগেও হাসপাতালের ওয়ার্ড গুলোতে রোগীর সিট না থাকায় রোগী ভর্তি করেনি কর্তৃপক্ষ। আর এখন প্রতিটি ওয়ার্ডে বেশীর ভাগ সিট ফাঁকা রয়েছে। প্রতিদিন হাসপাতালে আউটডোরে সাধারণ রোগীদের ভীড় সামলাতে হিমসিম খেতোা চিকিৎসকরা। হাসপাতালের আউটডোর থেকে সেবা নিতো প্রায় ২৫০শ থেকে ৩০০শ রোগী। আর এখন রোগী শূন্য হওয়ায় চিকিৎসকরা অলস সময় পার করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ১৩ জন চিকিৎসকের মধ্যে আছেন ৫ জন। ১৩টি পদের মধ্যে ৮টি পদই শূন্য। শূন্য পদগুলো হল আবাসিক মেডিকেল অফিসার একজন জন, ডেন্টাল একজন, কনসালট্যান্ট ৪ জন (সার্জারী, মেডিসিন, গাইনী,্ এ্যনেস্থেশিয়া) ও ইউনিয়ন মেডিকেল অফিসার দুইজন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি শুরুতে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট ছিল। গেল বছর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। তবে, নতুন ভবনের আসবাপত্র না থাকায় চিকিৎসকরা এখনও সেখানে সেবা কার্যক্রম চালু করতে পারেননি।

সরজমিনে, হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ড ও মহিলা ওয়ার্ডের বেশির ভাগ সিট ফাঁকা রয়েছে। আর যারা আছেন তারাও ভয়ে আছেন। আর কিছু রোগী ভর্তি হয়েও কিছুক্ষণ পর আবার ছুটি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। কয়েকদিনের ব্যবধানে শিশু রোগীর সংখ্যাও কমে গেছে এখানে।

 

উপজেলা স্বাস্থ্যতমপ্লেক্রের আরএমও ডা: সুমন চন্দ্র বর্মণ জানান, হাসপাতালে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন আউটডোরে রোগী দেখা হতো ২৫০শ থেকে ৩০০শ জন। কিন্তু এখন করোনা ভাইরাসের প্রভাবে রোগী দেখা হয় সর্বোচ্চ ৮০ থেকে ১০০শ জন। তিনি বলেন, ৩০ শয্যা হাসপাতালে আগে রোগী ভর্তি হতো ৩০জন আর এখন ভর্তি হচ্ছেন ৮ থেকে ১০জন। হাসপাতালে ভর্তি যোগ্য রোগী আসলেও করোনা ভাইরাসের ভয়ে ভর্তি না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ী ফিরে যাচ্ছেন।

তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্রে সাধারণ রোগীর সংখ্যা কমে গেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক থাকায় অনেক রোগী ভয়ে ভর্তি হচ্ছেন না। আরা যারা ভর্তি হচ্ছেন তারাও ছুটি নিয়ে তাড়াতাড়ি বাড়ী ফিরে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা সাধারণ রোগীদের নোটিশের মাধ্যমে জানিয়েছি, যাদের সাধারণ সর্দি, জ্বর ও কাশি তাদের জন্য পৃথক বিল্ডিংয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অথবা বাড়ী থেকেও তারা মোবাইলের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। এ ছাড়া মানুষের মধ্যে বর্তমানে আতংক সৃষ্টি হওয়ায় সচেতনতার অভাবে সাধারণরোগীরা হাসপাতালে এখন আসতে চাচ্ছেন না।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET