বগুড়ার মহাস্থান মহাসড়কে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। এ কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এই যানজটের কবল থেকে রক্ষা পেতে সল্প সময়ে বিকল্প পথ হিসেবে মহাস্থান নামুজা- আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় মবিলবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে দু’জন আহত হয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ৯টায় বগুড়ার মহাস্থান দিক থেকে গড়-মহাস্থান শাহ সুলতান হ্যাচারীর পাশে (ভোলা-ট ৪১-০০০৪)নং একটি মবিলবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি পুকুরে উল্টে যায়। এসময় স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত এগিয়ে এসে চালক ও সহকারীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। এঘটনায় চালক ও সহকারীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন অসংখ্য ভারি যানবাহন চলাচল করছে। সেই সাথে নষ্ট হচ্ছে এসব আঞ্চলিক সড়ক। বাড়ছে দূর্ঘটনা। বগুড়ার গোকুল-মহাস্থানে মহাসড়কের চার লেন কাজের ধীরগতির কারনে প্রতিনিয়ত যানজটে জনদূর্ভোগ চরমে। আগে যেখানে সব ধরনের যানবাহন পার হতে সময় লাগতো এক থেকে দুই মিনিট, এখন সেখানে ১ ঘন্টা থেকে ২ ঘন্টাতেও সম্ভব হচ্ছে না। কখনও কখনও তারও বেশি সময় লাগছে। এই হচ্ছে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের গোকুল উত্তর ও মহাস্থান বন্দর সংলগ্ন মহাসড়কের বর্তমান অবস্থা। বেশ কিছুদিন হলে অত্র এলাকার মহাসড়কের কিছু অংশের রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, অত্যন্ত ব্যস্ততম এ এলাকার মহাসড়কের কাজ চলছে অনেক ধীর গতিতে। গুরুত্বের বিবেচনায় এখানকার কাজ আরো দ্রুতগতিতে হওয়া উচিৎ বলে যানবাহনের চালক, যাত্রী ও এলাকার সচেতনমহল মনে করেন। তা না হওয়ায় রাস্তা ব্যবহারকারী সবারই জনদূভোর্গ চরমে উঠেছে। বিশেষ করে দুরপাল্লার যানবাহনের যাত্রী ও চালকদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও রাস্তার আলগা মাটিগুলো মহাসড়কের পাশে ফুটপাতের ধারঘেষে রাখাতে স্থানীয়দের চলাচলে চরম অসুবিধা হচ্ছে। পায়ে হেঁটে চলাচল করাও অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত এলাকার আঞ্চলিক ছোট রাস্তাগুলোও প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। যেকারনে ভ্যান- রিক্সা, বাইসাইকেল ও মটরসাইকেল চলাচলও করতে পারছে না। এ অবস্থায় বিভিন্ন আবাদি ফসল ও নিত্যপণ্য ক্রয় বিক্রয়ে এলাকার মানুষদের চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মহাসড়কের কাজের গতি বাড়ানোর জন্য স্থানীয় এলাকাবাসী, চালক ও যাত্রীসাধারনগণ জোর দাবী জানিয়েছেন। পাশাপাশি মহাসড়কের পাশে রাখা আলগা মাটিগুলো দ্রুত রোলার দ্বারা সমান করে ছোট ছোট যানবাহন ও মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচলের উপযুক্ত ব্যবস্থা করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি স্থানীয়রা জোরালো দাবী জানিয়েছেন।
Please follow and like us:









